প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ লাগার আশঙ্কা রয়েছে অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহামুদ আলী

আব্দুস সালাম : কুয়ালালামপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহামুদ আলী বলেন, কাশ্মীর নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছে দুবার। তবে ১৯৭৯ সালে ভারত শাসিত কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতার জন্য অনেকবার আন্দোলন হয়, এবারে একটু বেশি গুরুতর। মুম্বাই ও দিল্লির সংসদ ভবনে এর আগেও জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী ভারতে গিয়ে আক্রমণ করেছে, কিন্তু এই প্রথমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাদের যে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা সেটা তিনি সশস্ত্রবাহিনীর কাছে তুলে দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, আপনারা আপনাদের সিদ্ধান্ত মতো কাজ করেন। কাজেই এখানে হামলা হওয়ার আশঙ্কা বেশি। বিবিসি

তিনি আরো বলেন, ইমরান খান মাত্র কিছুদিন হলো ক্ষমতায় এসেছেন, তাঁর রাজনৈতিক ক্ষমতায় অভিজ্ঞতা খুবি সিমিত। এই সঙ্কটময় অবস্থায় তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা বলা কঠিন। আবার ভারতে নির্বাচন এগিয়ে আসছে সেহেতু ভারত তার দুর্বলতার পরিচয় দিবে না। ভারতের সৈন্যরা দুই-তিন ডিভিশনে পাকিস্তানে ঢোকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। পাকিস্তানের সৈন্যরা ভারতের কোস্টগার্ড সম্পর্কে জানেন, এজন্য পাকিস্থান তাদের সীমান্তের কাছাকাছি স্থানে পারমাণবিক অস্ত্র রেখেছে। পাকিস্তান ভৌগোলিক ভাবে একটি সংকীর্ণ দেশ। ভারতের সেনা যদি পাঞ্জাবে লাহোর এলাকায় প্রবেশ করে তাহলে তারা খুব সহজেই পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করে নিতে পারবে। এরকম প্রস্তুতিতে পাকিস্তান পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতেও পারে। যদি পাকিস্তান এটা করে ভারত তাদের ওপর ব্যাপক হামলা চালাবে। আর ভারত হামলা চালালে গোটা উপমহাদেশে প্রায় কয়েক কোটি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহামুদ আলী আরো বলেন, ১৯৯৯ সালে যখন ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ করে তখন তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ছিল কিন্তু তারা তা ব্যবহার করেনি। এবার ডোনাল ট্রাম্প পাকিস্তানকে দোষারোপ কোরেছেন। নিরাপত্তা পরিষদে একটা বিরুপ ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। চীন যেমন পাকিস্তানকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র তেমন ভারতকে সমর্থন করে। নিরাপত্তা পরিষদ যে কতটা কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে পারে সে ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে। কাজেই এবারে যুদ্ধ লাগার আশঙ্কার রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত