শিরোনাম
◈ ভারতের গোয়েন্দা বিমান গোপনে ঢুকে পড়েছিল পাকিস্তানে, ৬৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ম্যাক ২.৪ গতির সেই রহস্যময় অভিযান! ◈ ‘দিন যাচ্ছে, বাজার খরচ বাড়ছে’: সবজির চড়া দামে বিপাকে রাজধানীবাসী ◈ কোচ বললেন অ‌ভিমা‌নের কিছু নেই, রোনা‌ল্ডোর জন‌্য দরজা খোলা, জিদান বললেন—এ বিদায় মেনে নেওয়া যায় না ◈ সৌদি আরবে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক ◈ অব্যবস্থাপনায় শাহজালাল বিমানবন্দরে বাড়ছে ভোগান্তি ◈ কেন বিশ্বের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বঙ্গোপসাগর ◈ ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি  ◈ আমার বক্তব্য থেকে এক ফোটাও সরব না, দেশে আর কোনো স্বপ্ন নেই: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখোমুখি সালমান মুক্তাদির ◈ ফারুকী-তিশার বিচ্ছেদ গুঞ্জন: ভিত্তিহীন বলছে সংশ্লিষ্টরা ◈ ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাব না তো কি বায়তুল মোকাররমের ইমাম হব: এএসআইর বক্তব্যে তোলপাড়

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৯:৩১ সকাল
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৯:৩১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশালে সরকারি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটায় ঘুষ বাণিজ্য

হ্যাপি আক্তার : বরিশাল কর বিভাগে নিয়োগ নিয়ে এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কর্মকর্তাদের আত্মীয়দের নিয়োগ দেয়ার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটায়ও হয়েছে বাণিজ্য। নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগে নেয়া হয়েছে ১২ লাখ টাকা ঘুষ। আর ব্যক্তিগত সহকারী পদের জন্য ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। এমন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। তবে অনিয়মের কথা অস্বীকার করেন কর্মকর্তারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি সরকারকে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধে আরো পদক্ষেপ নিতে হবে। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী পদে ৪৬ জন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয় বরিশাল কর বিভাগ। যেখানে বিভিন্ন পদে চাকরি পেতে আবেদন করেন প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী। তবে, এই নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এক ভুক্তভোগী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ করে বলেন, এই নিয়োগের প্রতিটি পদের বিপরীতে লাখ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে।

ভুক্তভোগীর আবেদনপত্র থেকে জানা যায়, একজন নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগে ঘুষ নেয়া হয়েছে ১২ লাখ টাকা। অফিস সহকারী পদে ১৫ লাখ এবং ব্যক্তিগত সহকারী নিয়োগ দিতে নেয়া হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। উল্লেখ করা হয়, প্রতিবন্ধী এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী সংগ্রহের ক্ষেত্রেও নেয়া হয়েছে ঘুষ। আর নিয়োগ প্রাপ্তদের অনেকেই কোনো না কোনো কর্মকর্তার নিকটাত্মীয়।
ওদিকে বরিশাল কর অফিসে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো দুর্নীতি হয়নি বলে জানিয়েছেন, বরিশাল উপ কর কমিশনার ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, স্বচ্ছভাবেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। নিয়োগ নিয়ে যে অভিযোগটি উঠেছে তা আদৌ সত্য নয়। একটি প্রভাবশালী মহল নিয়োগ কমিটিকে প্রভাবিত না করতে পেরে, মিথ্যা অভিযোগ তুলে ষড়যন্ত্র করছে।
কাউকে দায়ী করার আগে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। নিয়োগ বাণিজ্য রোধে পরীক্ষা প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন এনবিআর’র সাবেক সদস্য সৈয়দ আমিনুল করিম। তিনি বলেছেন, এমন বিষয়ে কাউকে দোষী করতে হলে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। লিখিত পরীক্ষা জন্য নিরপেক্ষ অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের নিয়ে লিখিত পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে।

পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, সরকারি পদের যে বাণিজ্য সুসংঘবদ্ধভাবেই বহু দিন ধরে চলছে। প্রধানমন্ত্রীর অফিস এই বিষয়ে দুদকের সাহায্যে নিয়ে সামগ্রিকভাবে সরকারের ভেতরে নিয়োগ বাণিজ্য প্রতিহত করতে পারে।  একটি সূত্র জানায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশনা থাকলেও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা ইতিমধ্যে নিয়োগ পেয়ে স্বপদে যোগদান করেছেন।

  • সর্বশেষ