প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উপজেলা নির্বাচন যদি জাতীয় নির্বাচনের মতো হয়, তাহলে বিএনপির অংশগ্রহণ করে কি লাভ? বলেছেন রুমিন ফারহানা

জিয়ারুল হক : উপজেলা নির্বাচন যদি জাতীয় নির্বাচনের মতো হয়, তাহলে বিএনপির অংশগ্রহণ করে কি লাভ? এ কারণেই বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এই নির্বাচনে অংশ নেবে না। বলেছেন, বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সময় টিভি

নির্বাচন কমিশন বলেছে, উপজেলা নির্বাচন হবে জাতীয় নির্বাচনের মতো। আমরা দেখেছি ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে কিভাবে ২৯ তারিখ রাতে প্রশাসন ভোট দিয়েছে, ক্যাডার বাহিনী ভোট দিয়েছে। খুব দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমাদের জাতীয় গণমাধ্যমে এটি নিয়ে তেমন কোন প্রচার দেখিনি। তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম খুব গুরুত্বসহকারে প্রচার করেছে। আমরা দেখেছি নিউইয়র্ক টাইমস, আলজাজিরা, বিবিসি, ওয়াশিংটন টাইমস এবং দ্যা হিন্দুতে প্রকাশ করা হয়েছে কতোটা প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে এবারের জাতীয় নির্বাচন।

টিআইবির রিপোর্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৫০টি কেন্দ্রের জরিপ প্রকাশ করেছেন। এখানে দেখা যাচ্ছে ৪৭টি আসনে নানা অনিয়ম হয়েছে। ভোটার তার ভোট দিতে পারে নি, কোথাও কেন্দ্র দখল, কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে। পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয়া হয়েছে। এমনকি এমন ভয় দেখানো হয়েছে যে, তারা নির্বাচনের আগেই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে কিছু ছিলো না। রাজধানী ঢাকাতেই সরকারি দলের বাইরে আর কোন দলের প্রচারণা দেখিনি। আমাদেরকে প্রচারণা চালাতে দেয়নি। বেশ কিছু এলাকায় আমি নিজে গেছি, দেখেছেন কিভাবে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ধানের শীষের পোস্টার ছেঁড়া হয়েছে। সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এককথায় বলা যায় সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিলো।

তিনি বলেন. আমাদের দেশের ইতিহাসে বরাবরই নির্বাচনের সময় বিদেশী পর্যবেক্ষকদের সরব উপস্থিতি থাকে। কিন্তু এবার যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশের পর্যবেক্ষকদের ভিসা বন্ধ করে দিলো। তারা আসতে পারলো না। পর্যবেক্ষকদের জন্য আজব বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো, তারা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থেকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। কোন কথা বলতে পারবে না। তাহলে তারা পর্যবেক্ষণ করবে কেন? যারা ছিলো তারা ভুঁইফোড় সংগঠন। তাহলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে হলো।

তিনি বলেন, এই জন্যই বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না। বিএনপি এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছে, আমাদের নির্বাচনের সংস্কৃতি যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষ আস্থা হারাবে। এবং রাজনৈতিক দলগুলোও একে অপরের প্রতি আস্থা হারাবে।
সম্পাদনা : রাজু আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত