প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নানা চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের বিকাশমান ওষুধ শিল্প 

জাবের হোসেন: বাংলাদেশে দ্রুত বিকাশমান শিল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম ওষুধ শিল্প। এক সময় চাহিদার প্রায় ৮০ ভাগ আমদানি করতে হলেও এখন প্রায় ৯৭ ভাগ ওষুধই উৎপাদিত হচ্ছে দেশে। ফলে অনেক কম দামে ওষুধ কিনতে পারছে সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি সম্প্রতি হচ্ছে রপ্তানি বাজারও। বর্তমানে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। যদিও ওষুধের জেনেরিক নামের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আছে দ্বিধাবিভক্তি। গুনগতমান ভালো হওয়ায় বেশ কয়েকটি দেশীয় কোম্পানি উন্নত দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে লাভ করেছে জিএমপি সনদ। এই খাতের উদ্যোক্তরা বলছেন, এখনও নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে এই শিল্প। মেধাস্বত্ব না থাকা যার অন্যতম কারন। চ্যানেল ২৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে লৎফুল কবির বলেন, যখন এলডিসি তালিকাভূক্ত থেকে বাংলাদেশ বাদ পড়ে যাবে, সেই সময় কিন্তু মেধাস্বত্বের ছাড়টা দিবে না । তখন বাংলাদেশের কি হবে। জেনেরিক নাম যেদিন লেখা শুরু হবে। সেদিন থেকে ওষুধ প্রস্তুত কারক প্রতিষ্ঠানগুলো আর চিকিৎসকদের সাথে যে ওষুধ লেখানোর অসুস্থ প্রতিযোগিতা তা বন্ধ হবে।

বাংলাদেশে ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান এমপি বলেন, বাইরের বাজারে যখন নতুন পণ্যগুলো আসে, আমরা যখন জেনোটক র্ভাসন লঞ্জ করি তখন সেটা অনেক কম দামে পাচ্ছে। এই সুবিধাটা যেহেতু বঞ্চিত হবে তখন মানুষ বেশি দাবে কিনতে বাদ্য হবে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, যুগোপযোগী আইনের পাশাপাশি মান এবং রপ্তানি বাড়াতে নেয়া হয়েছে নানা পরিকল্পনা। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকার এক এপিআই পার্ক তৈরি করে দিয়েছে। যেখান থেকে ৪৪ কোম্পানী এপিআই তৈরি করবে। এই এপিআই উৎপাদন যদি শুরু হয়ে যায়, তাহলে প্রতিবছর আমরা নয় হাজার ডলার আয় করতে পারবো। এবং দেশীও ওষুধের দামও কমে যাবে আর গুনোগত মানও ভালো হবে। ভেজালমুক্ত, মানসম্পন্ন ওষুধ ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে জানালেন ক্যাব সভাপতি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত