প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রংপুরে তামাক চাষের আধিক্য হুমকিতে ফসলের আবাদ

জাবের হোসেন: রংপুরের সুজলা সুফলা ফসলের ক্ষেতে কালো ছায়া গ্রাস করছে জীবনঘাতী তামাক চাষ। ফসল নয়, মাঠে মাঠে বাড়ন্ত তামাকের চারা। সবুজের আড়ালে প্রতিটি পাতা আর শিরা- উপশিরায় বিষাক্ত মরণব্যাধি ক্যানসারের অন্যতম উপাদান নিকোটিন নিয়ে বেড়ে উঠছে একেকটি তামাকের গাছ। রংপুর অঞ্চলের চার জেলায় এবার ১৩ হাজার ৭শ’ ৮৭ হেক্টর জমিতে তামাকের চাষ হয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি লালমনিরহাটে। বাজারজাতের নিশ্চয়তা আর বিভিন্ন কোম্পানীর বাড়তি সুবিধা পেয়ে বেশী রোজগারের আশায় এই বিষ ফলান চাষীরা। সময়টিভি

চাষীরা বলেন, তামাক চাষের সুবিধা হলো কোম্পানী ৫০ কেজি ওজনের তিন বস্তা সার দিচ্ছে। তামাকচাষে খরচ একটু বেশি হলেও মোটামটি একমুঠে টাকাটা পাওয়া যায়। আর তামাক চাষ করলে লোন দেয়, পয়সা একটু বেশি পাওয়া যায়।
কৃষক নেতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, কৃষকরা জীবন বাচানোর তাগিদে, যে ফসলে একটু লাভবান হন তারা সেটাই চাষ করেন। তাই তারা তামাক চাষে উদ্বদ্ধ হচ্ছে।

রংপুরের পাশাপাশি লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারীতেও বাড়ছে তামাকের চাষ। তামাক ঠেকাতে হলে ধান, আলুসহ কৃষি ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত ও আইনের প্রয়োগ চান সচেতন মহল।  রংপুর তামাক নিয়ন্ত্রণ বিভাগের মুখপাত্র সুশান্ত ভৈামিক বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন আছে। আমরা আইনের সঠিক ব্যবহার করতে পারলে তামাক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

সচেতনতার মধ্য দিয়ে চাষীদের তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করতে চাইলেও সম্ভব হচ্ছেনা বলে দাবি কৃষি বিভাগের। কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো.মনিরুজ্জামান বলেন, বাজারদরের নিশ্চয়তা থাকায় আমরা নিরুৎসাহিত করতে চাইলেও তারা চাষ থেকে ফিরে আসছে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত