প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উপজেলা পর্যায়ে গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৮০ভাগ জন আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে বললেন, ড.আতিক রহমান

মঞ্জুর মোর্শেদ : পরিবেশ ও জলবায়ূ বিশেষজ্ঞ ড.আতিক রহমান বলেন, উপজেলার অবকাঠামো বাস্তবায়িত হলে জনগনের আশার প্রতিফলন ঘটবে। বাংলাদেশ হচ্ছে বৃহত্তম ঘন বসতির দেশ। আমাদের জনসংখ্যার দিক থেকে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১১০০ জন লোক বাস করে। এ জনসংখ্যা যখন শহরে আসে তখন হয় প্রায় ১০ গুণ। এ অবস্থা থেকে কিভাবে পরিকল্পনা করবে সেটাই মূল বিষয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে কাজের দিক দিয়ে ভাগ করে যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম কৃষির জন্য আলাদা পরিকল্পনা । উপকূলীয় অঞ্চল সুন্দরবন কৃষির প্রভাব যেহেতু কম সেখানে অন্যান্য শিল্পের সম্ভাবনা আছে সেগুলোর পরিকল্পনা করতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য ফসল উৎপাদন করা যেতে পারে। সূত্র : ডিবিসি রাজকাহন

তিনি বলেন, দেশে কৃষি জমির পরিমাণ বাড়ছে না। এজন্য সমুদ্র উপকূল মিয়ানমার ও ভারতের মধ্যবর্তী বিশাল একটা অঞ্চল বাংলাদেশের আবিস্কার হয়েছে। সেই জায়গাটি কৃষির আওতায় নিয়ে আসতে পাররে প্রচুর পরিমাণ অর্জন হতে পারে।
তিনি জানান, আমাদের পরিকল্পনায় মাষ্টার প্লানে আনতে হবে । ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী গ্রামকে শহরের আওতায় আনার জন্য এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে। জনগণের অর্থ সাশ্রয় ও কৃষি জমি রক্ষায় উপজেলা গুলোতে অপরিকল্পিত উন্নয়ন অবশ্যই নিয়ন্ত্রন করতে হবে। রাস্তা ও চলাচলে অন্যান্য সকল সুযোগসুবিধা পরিকল্পিত হতে হবে। যথাযথভাবে প্লান করতে পারলে জনগণ উপকৃত হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা করেছেন, সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে জনগনের চাহিদা পূরণ করবে সরকার। বাজেটেও উপজেলার আকার,জনসংখ্যা এবং ভৌগোলিক সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও অন্যান্য খাতে উন্নয়নের সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের পরিকল্পনায় রাস্তাঘাট ,পুল কালভার্ট, শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা ক্ষুধা নিবারনসহ যে পরিকল্পনা হাতে আছে তা বাস্তবায়িত হলে জনগনের ৮০ ভাগ চাহিদা পূরণ হবে ।

তিনি আরো জানান, পানির ব্যবস্থা, সেচ নিস্কাসনের সুবিধা, খেলাধুলার জন্য উম্মুক্ত মাঠ, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হাতের নাগালে থাকতে হবে। তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। মানুষের সুন্দরভাবে জীবন যাপন করার পরিবেশ ফিরে পাবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত