প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এমপি’র বাড়ির রাস্তার একি হাল!

ডেস্ক রিপোর্ট : টাঙ্গাইলের গোপালপুরের হাটবৈরাণ-বড়মা সড়কের এখন বেহাল দশা। কাঁচা এ সড়কটির একমাত্র কালভার্টও ভাঙা। এতে করে ১০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। তিন কিলোমিটার এ রাস্তা ধরেই স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের নিজ বাড়ি বড়মা গ্রামে যাতায়াত করতে হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এ পথের গুরুত্ব্ব বাড়াসহ বেড়েছে মানুষের যাতায়াত। সরজমিনে জানা যায়, উপজেলার হাটবৈরাণ, মাকুল্যা, বড়মা, ধোপাকান্দি, কুকুরজানিসহ দশ গ্রামের শত শত মানুষ প্রতিদিন এ পথেই যাতায়াত করেন। এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি সত্ত্বেও সড়কটি পাকা করা হয়নি। বর্ষাকালে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের এ কাঁচাসড়ক ধরেই উপজেলা সদরের স্কুল-কলেজে যেতে হয়।

হাটবাজারে কৃষিপণ্য আনা নেয়া হয় এ পথেই। পনেরো বছর আগে এ সড়কের হাটবৈরাণ এলাকায় একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। সমপ্রতি কালভার্টটির ছাদের অংশ বিশেষ ভেঙে গেছে। ফলে ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়ে যানচলাচল দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচল করাই দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। রাতের বেলায় চলাচল করতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনারও শিকার হচ্ছেন।

হাটবৈরাণ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাই জানান, এই গ্রামের বিশাল মাঠের ফসল কৃষকরা এ কাঁচা সড়কেই বাড়িতে নিয়ে আসে। কিন্তু কালভার্টটি অকেজো হয়ে পড়ায় কৃষকরা বেকায়দায় পড়েছে। গত বর্ষায় কাঁচা সড়কের কোনো কোনো স্থান ধসে পড়েছে। পায়ে হেঁটে যেতেও এখন সমস্যা।
রাস্তাটির বিষয়ে গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রকিবুল হক ছানা বলেন, জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে পৌরসভার উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে সেখানে নতুন কালভার্ট নির্মাণ শুরু হতে যাচ্ছে। যা জন সাধারণের কিছুটা হলেও উপকার হবে। এছাড়াও এ রাস্তাটি খুব তাড়াতাড়ি পাকা করা হবে।
গোপালপুর এলজিইডির প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, ওই কাঁচা সড়কটি পাকাকরণের জন্য অনুমোদন চায়া হয়েছে। ফান্ড পেলেই রাস্তার কাজ শুরু হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত