প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বসন্তের বিখ্যাত উক্তি

১. মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে। মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে। কুহক লেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে, লিখিছে প্রণয়-কাহিনী বিবিধ বরণ-ছটাতে। ২. ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান : তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান : আমার আপনহারা প্রাণ, আমার বাঁধন ছেঁড়া প্রাণ। ৩. ফাগুনের নবীন আনন্দে গানখানি গাঁথিলাম ছন্দে, দিলো তারে বনবীথি কোকিলের কলগীতি, ভরি দিলো বকুলের গন্ধে। কখনো বা চাঁদের আলোতে কখনো বসন্তসমীরণে সেই ত্রিভুবনজয়ী, অপাররহস্যময়ী আনন্দ-মুরতিখানি জেগে ওঠে মনে। আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে। তবু প্রাণ নিত্যধারা, হাসে সূর্য চন্দ্র তারা, বসন্ত নিকুঞ্জে আসে বিচিত্র রাগে। ৪. ফাল্গুনে বিকশিত কাঞ্চন ফুল, ডালে ডালে পুঞ্জিত আ¤্রমুকুল। চঞ্চল মৌমাছি গুঞ্জরি গায়, বেণুবনে মর্মরে দক্ষিণবায়। ৫. স্পন্দিত নদীজল ঝিলিমিলি করে, জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি বালুকার চরে । নৌকা ডাঙায় বাঁধা , কা-ারী জাগে, পূর্ণিমা রাত্রির মত্ততা লাগে।

৬. খেয়াঘাটে ওঠে গান অশ্বথতলে, পান্থ বাজায়ে বাঁশি আন্মনে চলে । ধায় সে বংশীরব বহুদূর গাঁয় , জনহীন প্রান্তর পার হয়ে যায়। ৭. হেরো পুরানো প্রাচীন ধরনী হয়েছে শ্যামল-বরণী, যেন যৌবন-প্রবাহ ছুটিছে কালের শাসন টুটাতে, পুরানো বিরহ হানিছে, নবীন মিলন আনিছে, নবীন বসন্ত আইল নবীন জীবন ফুটাতে ৮. মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে। মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে। কুহক লেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে, লিখিছে প্রণয়-কাহিনী বিবিধ বরণ-ছটাতে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।

৯. হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা? কহিলাম ‘উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?’ কহিল সে কাছে সরি আসি- ‘কুহেলী উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী- গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে রিক্ত হস্তে (সংগৃহীত)। ১০. মনের আকাশে ওই ফাগুন, পিয়াসী পাখি উড়ে যায় সুদূরেতে, কার যে ছাঁয়া মাখি!(সংগৃহীত) ১১. ফাগুনের রঙে রেঙেছো তুমি, না বলা কথা আজ বলবো আমি : হৃদয়ের ডাক শুনবে কী তুমি?। ১২. কারও কারও জীবনে বসন্ত নিভৃতে আসে বাইরে প্রকাশ পায় না । তার আমেজে সে নিজেই পুলকিত হয়। (জন ফ্রেচার)। ১৩. কখনো বাগান, কখনো দিগন্ত কখনো শ্রাবণ, কখনো বসন্ত আমি সেই তোমাকেই খুঁজি (সংগৃহীত)। ১৪. বিহুরে লগন মধুরে লগন, অকাশে বাতাসে লাগিল রে চম্পা ফুটিছে চামলি ফুটিছে, তার সুবাসে ময়না আমার ভাসিল রে (সংগৃহীত)। ১৫.হলুদ বরন মেঘলা এ তার যৌবন উছলায় লাল ওরনার আড়াল দিয়া চক্ষু দুটি চায় খোপায় টগর ময়না বুঝি আমায় খুঁজে হায় বসন্তে এ বিহুর লগন উত্তাল হয়ে যায় (সংগৃহীত)। ১৬. বিহুরে লগন মধুরে লগন, অকাশে বাতাসে লাগিল রে নাচিতে নাচিতে তার ভরা যৌবন বিহুর সাজে সবার মাঝে অসিল রে (সংগৃহীত)। ১৭. তাহার নাচ দেখি অমার অঙ্গ অবস হয় ঢোলের কাঠি দুহাত থিকে আপনি খসি যায় জগত জুড়ি বিহুর পরব খুসি জে ছ?ড়ায় বসন্তে এ বিহুর লগন উত্তাল হয়ি যায়(সংগৃহীত)। ১৮. ফাল্গুনে শুরু হয় গুনগুনানী, ভোমরাটা গায় গান ঘুম ভাঙানি (ফররুখ আহমেদ)।

১৯. আমাকে পাবে না খুঁজে, কেঁদে কেটে মামুলি ফাল্গুনে (হেলাল হাফিজ)। ২০. ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত (সুভাষ মুখোপাধ্যায়)। ২১. বসন্ত এলো এলো এলোরে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে মাধবী নিকুঞ্জে পুঞ্জে পুঞ্জে ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে। আসে বসন্ত ফুল বনে সাজে বনভূমি সুন্দরী, চরণে পায়েলা রুমুঝুমু মধুপ উঠিছে গুঞ্জরি। বসন্ত এলো এলো এলো রে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে। বসন্ত মুখর আজি দক্ষিণ সমীরণে মর্মর গুঞ্জনে বনে বনে বিহ্বল বাণী ওঠে বাজি (কাজী নজরুল ইসলাম)।

২৪. হয়তো ফুটেনি ফুল রবীন্দ্রসংগীতে যতো আছে, হয়তো গাহেনি পাখি অন্তর উদাস করা সুরে বনের কুসুমগুলি ঘিরে। আকাশে মেলিয়া আঁখি তবুও ফুটেছে জবা, দূরন্ত শিমুল গাছে গাছে, তার তলে ভালোবেসে বসে আছে বসন্ত পথিক (নির্মলেন্দু গুণ)। ২৫. একঝাক পাখি এসে ঐকতানে, গান গায় এক সাথে ভোর বিহনে, অচানক দুনিয়াটা আজব লাগে, আড়মোড়া দিয়ে সব গাছেরা জাগে, লাল নয় কালো নয় সবুজ পাতা, জেগে ওঠে একরাশ সবুজ পাতা (ফররুখ আহমেদ)। ২৬. হে কবি! নীরব কেন-ফাল্গুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়? কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি- দখিন দুয়ার গেছে খুলি? বাতাবী নেবুর ফুল ফুটেছে কী? ফুটেছে কী আমের মুকুল? দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল? এখনো দেখনি তুমি? কহিলাম কেন কবি আজ এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ? ২৭. তরী তার এসেছে কী? বেজেছে কী আগমনী গান? ডেকেছে কী সে আমারে? -শুনি নাই, রাখিনি সন্ধান ২৮. কহিলাম ‘ওগো কবি, রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি।’ কহিল সে মৃদু মধুস্বরে- ‘নাই হ’ল, না হোক এবারে- আমার গাহিতে গান! বসন্তরে আনিতে ধরিয়া- রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তো ফাল্গুন স্মরিয়া। ২৯. কহিলাম ‘ওগো কবি, অভিমান করেছ কী তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।’ কহিল সে পরম হেলায়- ‘বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় ফুল কী ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কী ঋতুর রাজন? মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করেনি সে অর্ঘ্য বিরচন? তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনোমতে (সুফিয়া কামাল)। ৩০. হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা? কহিলাম ‘উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?’ কহিল সে কাছে সরি আসি- ‘কুহেলী উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী- গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে রিক্ত হস্তে। তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনোমতে (সুফিয়া কামাল)।
ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত