প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফেব্রুয়ারি এলেই ভালোবাসার রঙে সাজে সাভারের গোলাপগ্রাম

সাজিয়া আক্তার : গোলাপের চাষ মনে আনন্দ দেয় আবার অর্থনৈতিক সচ্ছলতাও আনে। কয়েক দশক ধরেই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সাভারের গোলাপ চাষিরা। আর তাদের জন্য পয়মন্ত মাস ফেব্রুয়ারি বা বাংলা মাসের ফাল্গুন। প্রতিক্ষার প্রহর শেষ, এখন দুয়ারে সেই প্রার্থিত সময়। গোলাপ চাষিদের মুখে তাই হাসি। এটিএন নিউজ

সকলের প্রিয় ফুল গোলাপ। যুগ যুগান্তরে তার রূপ আর সুগন্ধের বন্দনা। কতো গান আর কবিতা হলো তাকে নিয়ে। প্রেমের দেবী থ্যানাসের প্রিয় গোলাপের গল্পকথা আজো কি ফুরলো? প্রেমে, সুখে, শোকে সবখানেই গোলাপ সাক্ষী। সেই কোমল ফুলটি ফুটিয়ে তুলতে সারা বছর ধরেই ক্লান্তিহীন গোলাপ চাষীরা। স্বপ্নের মতো সাভারের গোলাপ বাগানগুলো।

গোলাপ চাষিরা বলছেন, প্রথমে সখের বসে গোলাপ চাষ করতাম। আর এখন গোলাপ চাষ করে ব্যাপকভাবে লাভবান হচ্ছি আমরা। আর এসব গোলাম সাভারের বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছি আমরা। আমরা সারা বছর ফেব্রæয়ারি মাসের দিকেই তাকিয়ে থাকি। এমাসেই আমাদের অনেক বেশি বেচা-বিক্রি হয়।

সাভারের সাদুল্লাপুর, ভাগ্নিবাড়ি, শেরপুর ও সারুলিয়ার আজ পরিচয় গোলাপের গ্রাম নামে। ৯০ দশকে এর চাষ শুরু। প্রিয় এই ফুলটি ফোটাতে গ্রামবাসির আনন্দ ও আয়।
পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও ২১শে ফেব্রুয়ারি তাদের কাছে গোলাপ ফুল বাড়তি লাভের আশা নিয়ে আসে। আর এ সময়ে গোলাপের দাম নিয়ে আসে পাঁচ গুণ বেশি। আর কখনো প্রায় দশ গুণ। বছরে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার গোলাপ ফুল বিক্রি হয় এই গ্রামগুলো থেকে।

রাজধানীর অদূরে এই গোলাপগ্রামের সিংহভাগ ফুল চলে যায় রাজধানীর শাহবাগসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। আর সন্ধার পরেই আশেপাশের বাজারগুলোতে শুরু হয় গোলাপ বেচা-বিক্রি। এই গোলাপ রাজ্যে আসেন অনেকেই। প্রতি বছরেই বাড়ছে ফুল চাষির সংখ্যা। আর গোলাপ বাগানও বাড়ছে দিনকে দিন।

সাভারের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেছেন, মানুষের সচ্ছলতার জন্যই গোলাপ চাষে মানুষ আগ্রহী হচ্ছে। ফেব্রæয়ারি মাসে গোলাপ বেশি বিক্রি হওয়ায় এই সময়টাই গোলাপ চাষিদের মুখেও থাকে অনাবিল আনন্দের ছাপ। এই এলাকায় প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে গোলাপ চাষ করা হয়েছে।

যাদের হাতে গোলাপ ফোটে, ফেব্রুয়ারির বিশেষ দিনে প্রায় তিন কোটি টাকার ফুল বিক্রির স্বপ্ন দেখেন তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত