প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চুক্তি যেখানে আগেই অনুস্বাক্ষরিত হয়ে আছে, সেখানে নতুন করে আলোচনার কোনো প্রশ্নই ওঠে না বলে মনে করেন ড. আইনুন নিশাত

সৌরভ নূর : দিল্লি থেকে ফিরে এসে তিস্তাসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরারাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। আবার নতুন করে আলোচনায় আসা তিস্তাচুক্তি প্রসঙ্গে পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর আইনুন নিশাত বলেন, চুক্তি যেখানে আরও আগেই অনুসাক্ষরিত হয়ে গেছে সেখানে আবার নতুন করে আলোচনার কোনো প্রশ্নই আসে না। এখন ফরমালি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুধু সই করবেন, আর ছবি তুলবেন এতোটুকুই বাকি রয়েছে। তবে আমরা আমরাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশাবাদে আশান্বিত এবং ভারতের নির্বাচনের পূর্বেই হবে বলে আশা রাখি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন তিস্তাচুক্তির ব্যাপারে বাংলাদেশ কথা বলবে দিল্লির সাথে-সিকিমের সাথে না, পশ্চিমবঙ্গের সাথেও না।অবশ্য তিস্তাচুক্তির ফলে পশ্চিমবঙ্গের সমস্যা হবে, মমতা ব্যনার্জির এই অভিযোগ সত্য। ২০১১ সালের আগ পর্যন্ত তিস্তার পানি বাংলাদেশ ঠিকিই পাচ্ছিলো, কিন্তু মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের অংশে পানি সংকট দেখো দিয়েছে। এটা এক ধরনের জেদা-জেদির ব্যাপার। সমাধানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-দিল্লি আলোচনার মধ্যে পশ্চিম বঙ্গ দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারপরেও এই চুক্তি বাস্তবায়িত করতে বাংলাদেশ কি ধরনের ছাড় দেবে, বিনিময়ে কোনটা বুঝে নেবে সেটা নির্ভর করছে ভারত-বাংলাদেশ রাজনীতিক সম্পর্কের উপর। আর এব্যাপারে আমার মতামত পশ্চিমবঙ্গ সম্মতি না দিলে না দেবে, কিন্তু মাথা নোয়াবো কেনো, বাংলাদেশী হিসাবে এই সম্মানবোধটুকুই তো আমাদের রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত