প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বার্থ এবং উদ্দেশ্যহীন কোনো কাজ আমরা করি না

কামরুল হাসান মামুন : আমাদের দেশের একাডেমিক সম্মেলন হলে এক অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে। সেটা হলো অর্ধেক দিনব্যাপী একটি উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান। সেখানে চেষ্টা করা হয় কোন এক মন্ত্রীকে প্রধান অতিথি করে আনার। ওটা করতে ব্যর্থ হলে প্রধান অতিথি করা হয় ভিসিকে। আর ভিসি প্রধান অতিথি হলে প্রোভিসি কোষাধক্ষ্য হবে বিশেষ অতিথি। উনারাসহ অন্যান্যদের বক্তব্য দিতে দিতে দিবসের অর্ধেক দিন শেষ। দেশের বাইরে ভারত চীন কোরিয়াসহ ইউরোপ আমেরিকার অনেক সম্মেলনে যোগ দিয়েছি। ওইসব বড় বড় সম্মেলনে উদ্ধোধনী নামে কোনো পর্ব কোনোদিন দেখিনি। উদ্ধোধনী পর্বই যেখানে নেই সেখানে সাবজেক্টের বইরের কাউকে এনে বিশেষ করে মন্ত্রী মিনিস্টার এনে উদ্ধোধন করানোর কোনো রেওয়াজ দেখিনি। বড়জোর পদার্থবিজ্ঞনের একজন খ্যাতিমান অধ্যাপক বা গবেষককে দিয়ে পাঁচ মিনিটের একটি শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়েই মূল সম্মেলন শুরু হয়ে যায়।
আরেকটি বিষয় লক্ষ করেছি। আমাদের এখানে প্রতিটি সেশনে একজন সেশন চেয়ারের বাইরে আরেকজন কো-চেয়ার রাখা হয়। এই কো-চেয়ার নামক কোনো ব্যবস্থা কোথাও অন্তত আমি দেখিনি। শুধু তাই নয়, এই চেয়ার এবং কো-চেয়ারকে দেখি মঞ্চে উঠে অডিয়েন্সের দিকে মুখ করে বসেন। দেশের বাহিরে ভারত চীন কোরিয়াসহ ইউরোপ আমেরিকার অনেক সম্মেলনে যোগ দিয়েছি কিন্তু কোথাও কো-চেয়ার দেখিনি। আরো কোথাও চেয়ার এবং কো-চেয়ারকে মঞ্চে উঠে বসতে দেখিনি। এসব কেন করা হয়? মন্ত্রী-ভিসিদের আনা হয় দেখানোর জন্য। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য। আর কো-চেয়ার রাখা হয় কাউকে এই কো-চেয়ার বানিয়ে খুশি করে একদিন তার বিনিময় চান। স্বার্থ এবং উদ্দেশ্যহীন কোনো কাজ আমরা করি না। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি না করলে অনেক সময় বেঁচে যেতো যে সময়টা আমরা স্পিকারদের দিতে পারতাম। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত