শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর ◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায়

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৯:৩৬ সকাল
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৯:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নগরকান্দায় স্বাধীনতার বিপক্ষের পরিবারের সন্তানকে মনোনয়ন দেওয়ার অভিযোগ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর : ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে স্বাধীনতার বিপক্ষের পরিবারের সন্তানকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়ার অভিযোগ এনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ওই উপজেলায় ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মনোনয়ন দেওয়া মো. মনিরুজ্জামান সরদারের নামে এ অভিযোগ আনা হয়। তবে এসব দাবী ভিত্তিহীন ও ভূয়া বলে দাবী করছেন মনিরুজ্জামান সরদার।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সকালে নগরকান্দা উপজেলা পরিষদ এলাকায় মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

বক্তারা মনিরুজ্জামানের পিতাকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি দাবী করে মনোনয়ন পরিবর্তন করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কাজী শাহ জামান বাবুলকে মনোনয়ন দেয়ার দাবী জানান। তারা বলেন, তৃণমূল আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার মাধ্যমে ৩০ ভোট পওয়া তাজী শাহ জামান বাবুলকে মনোনয়ন দেয়ার সুপারিশ করলেও কিভাবে ২১ ভোট পাওয়া মনিরুজ্জামান সরদারকে মনোনয়ন দেয়া হলো তা বোধগম্য নয়। তারা দাবী করেন, স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির পরিবারের কাউকে আওয়ামী লীগ মেনে নিতে পারেনা।

মানববন্ধনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান আবুল কালাম, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এদিকে এ প্রসঙ্গে মো. মনিরুজ্জামান সরদার সাংবাদিকদের বলেন, এসব ভূয়া ও ভিত্তিহীন দাবী। প্রধানমন্ত্রী আমাকে যাচাই বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি দুইবার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমাকে হেয় করার জন্যই এসব দাবী তুলছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে দল করছি, আমি মনে করি দল আমাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যারা আন্দোলন তার কোন ভিত্তি নেই।

  • সর্বশেষ