প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাবনার চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন মামলার সুষ্ঠ তদন্তের
দাবীতে মহাপুলিশ পরিদর্শকের নিকট আবেদন

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন মামলার সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানিয়ে মহাপুলিশ পরিদর্শকের নিকট আবেদন করেছেন সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খান। হত্যা কান্ডটি ধামাচাপা দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীরা তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। ফলে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার গতিপথ নতুন মোড় নিয়েছে।

মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর আবেদন সুত্রে জানা গেছে, গেল বছরের ৩ ডিসেম্বর পাবনার সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের ভাড়ারা গ্রামে বিবাদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মহসিন খান লষ্কর ও আব্দুল মালেক নিহত হন। এ ঘটনার পর ৫১ জনকে আসামী করে একটি মামলা হয়। মামলার বাদী মোঃ সুলতান মাহমুদ খান ভাড়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খানকে প্রধান আসামী করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

এরই এক পর্যায় ৭ ফেব্রুয়ারি মামলার প্রধন আসামী আবু সাঈদ খান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মহাপুলিশ পরিদর্শক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের স্বপক্ষে তিনি একটি ভিডিও ফুটেজ পেশ করেন। আবু সাঈদ খান দাবী করেন, ঘটনার সময় ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার উদ্ধেশ্য তিনি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫ কি:মি: দূরে পাবনা শহরে ইসলামী ব্যাংকে অবস্থান করছিলেন। এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে গত বছর ৩ ডিসেম্বর বিকেল ৪.১৫ মিনিটের দিকে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান একই দিন বিকেল ৩.৫৮ মিনিটে পাবনাস্থ ইসলামী ব্যাংকে অবস্থান করছিলেন। তিনি দাবি করেন ঘটনার দিন বিকল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত ব্যাংকে অবস্থান করছিলেন। ব্যাংকে বসেই তিনি তার এলাকার হত্যাকান্ডের খবর পান। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনাস্থল পাবনা শহর থেকে ১৫ কি.মি. দূর্গম স্থানে। এছাড়া তিনি পাবনা শহরের শালগাড়ীয়া মহল্লায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তিনি আরো দাবি করেন এ জঘন্য হত্যাকান্ড ধামাচাপা দেয়া এবং ভিন্ন খাতে প্রবাহের জন্য বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীরা তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এ হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য বাংলাদেশের মহাপুলিশ পরিদর্শক বরাবরে সুষ্ঠু তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।

উক্ত আবেদনের অনুলিপি রাজশাহীর ডিআইজি, পাবনা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত