প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৬ রাজাকারপুত্রের মনোনয়ন বাতিলের আবেদন

আশরাফ চৌধুরী রাজু, সিলেট: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে রাজাকার পুত্রদের মনোনীত না করার দাবি জানিয়েছে সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড। সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরিত এক ই-মেইলে এ দাবি জানান।

উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের পাঠানো তালিকা থেকে মোট ৬ আওয়ামী লীগ নেতাকে চিহ্নিত করে তাদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানান তিনি।

এদের মধ্যে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম লিয়াকত আলী, একই উপজেলার আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল হাসিব মুনিয়া, সহ-দফতর সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হেলাল এবং কানাইঘাট উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ৪নং সাতবাঁক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশকে রাজাকার পুত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে জাতি আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। তাই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহান স্বাধীনতা তথা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং জামায়াত-শিবিরের সন্তান বা তাদের পরিবারের সদস্যদের মনোনয়ন না দেয়ার জন্য একান্তভাবে আহবান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা বিরোধী ব্যক্তিদের তালিকা পাঠানো হয়েছে। ওই তালিকায় থাকা জৈন্তাপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী জৈন্তাপুর এলাকার কুখ্যাত রাজাকার ওয়াজিদ আলী টেনাইর পুত্র। এছাড়া একই উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমেদের পিতা হাজী মনির উদ্দিন ও চাচা মাস্টার আজির উদ্দিনও রাজাকার ছিলেন। বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল হাসিব মুনিয়া নিজে রাজাকার এবং পিতা আবদুল খালিক শান্তি কমিটির সদস্য (আলবদর) ছিলেন। একই উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-দফতর সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল চন্দগ্রামের কুটুচান্দ রাজাকারের সন্তান। তাছাড়া গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হেলালের পিতা আজির উদ্দিন একাত্তরে থানা শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। কানাইঘাট উপজেলার ৪নং সাতবাঁক ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশের বাবা আবদুল মন্নানও একাত্তরে রাজাকার ছিলেন বলে উলে­খ করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত