প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জীবননগর ভৈরব নদীর উপর ব্রীজের দু’পাশের মাটি ধসে এখন মরণ ফাঁদ!

জামাল হোসেন খোকন : জীবননগর–চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের জীবননগর ভৈরব নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের উত্তর দিকের দু’পাশের মাটি সরে গিয়ে এখন মরণ ফাঁদের সৃষ্টি হয়েছে। আর একারণে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। একটু অসাবধানতায় যেকোনো সময় বয়ে আনতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এলাকাবাসীর দাবি প্রাণহানির মতো কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা ভায়া দর্শনাগামী মহাসড়কটি একটি ব্যাস্ততম সড়ক। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতশত ভারী–হাল্কা যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীবাহী পরিবহনের চলাচল রয়েছে। এ সড়কের জীবননগর পৌর শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ভৈরব নদীর উপর নির্মিত হয়েছে একটি ব্রীজ। ব্রীজের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে মসজিদসহ আবাসন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি ব্রীজটির উত্তর অংশের দু’ধারের মাটি ধসে পাড়ায় মরণ ফাঁদ তৈরি হয়েছে। ফলে প্রায়ই ছোটখাটো ঘটনা দুর্ঘটনার সৃষ্টি হতে দেখা যায়। এসব দুর্ঘটনায় সামান্যর জন্য হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও এলাকাবাসীর মধ্যে ফাঁদ নিয়ে দুশ্চিন্তার যেন শেষ নেই।

এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী রিটন হোসেন বলেন,গত কয়েক দিন আগে চালক আলমসাধু উক্ত রাস্তা দিয়ে মাছ ভর্তি ড্রাম নিয়ে ব্রীজটি পার হওয়ার সময় উক্ত ফাঁদে আটকে মাছবাহী আলমসাধুটি উল্টে খাদে পড়ে। এঘটনায় চালক আলমসাধু সহ মাছ ব্যাবসায়ীরা আহত হন।

সাবেক পৌর কমিশনার হাজী আব্দুল ওহাব বলেন, ব্রীজের উত্তর পাশের দু’ধার থেকে অনেক আগেই মাটি ধসে গিয়ে মরণ ফাঁদের সৃষ্টি হলেও। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এ ফাঁদের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। ব্রীজের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠা মসজিদ নিয়ে এলাকাবাসী আতংকের মধ্যে আছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফাঁদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে।

এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার বলেন,ব্যাপারটি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমি শিগগিরই সেখানে লোক পাঠিয়ে মাটি দিয়ে ফাঁদ ভরাট করে দেব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত