শিরোনাম
◈ এক বি‌শেষ বলকে যমের মতো ভয় পায় বৈভব: ইয়ান বিশপ  ◈ সাত দিনের সফরে জাপান গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ◈ সিলেটে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান, ইরাক ও লেবানন ভ্রমণে নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল আমিরাত ◈ এক দেশ বাদে আফ্রিকায় চীনের ‘শূন্য শুল্ক’: কার লাভ, কার ক্ষতি? ◈ টেলিফোনেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা, পাকিস্তান সফর বাতিল ট্রাম্পের ◈ সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ আকস্মিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতি: ৩ মে থেকে হাওর অঞ্চলে আগাম ধান-চাল সংগ্রহ শুরু ◈ একদিনে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ওঠানামায় নতুন রেকর্ড ◈ ফ্লোরিডায় উদ্ধার দ্বিতীয় মরদেহ বৃষ্টির: দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:১৩ সকাল
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেবী সরস্বতীর অর্চনায় মুখর ঢাবির জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণ

মহসীন কবির : বিদ্যাবুদ্ধিতে সমৃদ্ধ হতে বিদ্যা দেবী সরস্বতীর পূজা অর্চনায় মুখরিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণ। রোববার সকাল ৯টার দিকে জগন্নাথ হল মাঠ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ছাত্রী হলে দেবীর পূজা হয়।

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম এই ধর্মীয় উৎসবে পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন অগণিত ভক্ত। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে প্রণতি জানাবেন তারা। সনাতন ধর্মালম্বিদের মতে দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী।

সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে/ বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোহ তুতে’ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই মন্ত্র উচ্চারণ করে বিদ্যা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য দেবী সরস্বতীর অর্চনা করেন।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও সারা দেশে ব্যাপক আয়োজনে সরস্বতী পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন ভক্তরা। সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মন্দিরে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটা মণ্ডপে আজ সারাদিন পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছোট ছোট শিশুদের আজ হাতেখড়ি দেয়া হবে।

এদিকে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট তার বাণীতে বলেছেন, সরস্বতী পূজা বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধর্মীয় উৎসব। ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে এই উৎসবে সকলের অংশগ্রহণ এ দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ও ঐতিহ্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে বাণী অর্চনার এই আবহ অম্লান হোক। জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত হয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ সাম্প্রদায়িকতা, অজ্ঞানতা, থেকে মুক্ত হয়ে একটি কল্যাণকর ও উন্নত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে রয়েছে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা। আবহমানকাল ধরে এখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে একত্রে বসবাস করে আসছেন। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করেছেন। আমি মনে করি, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। পারস্পরিক এ সম্প্রীতি সামনের দিনগুলোতে আরো সুদৃঢ় হবে - এ আমার বিশ্বাস।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়