প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তথ্যের অপ্রতুলতা এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় প্রশাসন প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না, বললেন নুরুল আনোয়ার

সৌরভ নূর : ঢাকা শহরের অলিতে-গলিতে, বাসে বা হ্যান্ড লিফলেটে প্রায়শই পার্টটাইম কিংবা ফুলটাইম চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখা যায়। যেখানে দরিদ্র বেকার, বিশ^বিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্র কিংবা গ্রাম থেকে চাকরির সন্ধানে আসা নতুন যুবকদের টার্গেট করে এ ধরনের বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে থাকে একদল প্রতারক চক্র। যারা চাকরি দেয়ার নামে ধোঁকা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে নগদ অর্থসহ আবেদনকারীদের মোবাইল কিংবা ল্যাপটপ, কখনো কখনো ব্ল্যাকমেইল করে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে এই প্রতারক চক্র।
এ প্রসঙ্গে সাবেক আইজিপি নুরুল আনোয়ার বলেন, এ ধরনের প্রতারণার খবর সাধারণত লোকমুখেই শোনা যায়, পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত আসে না। সেকারণেই পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য নেই। যদি মিডিয়াতে তথ্য ভিত্তিক সংবাদ পরিবেশন হতো তাহলে বিষয়টি নিশ্চয় প্রশাসনের গোচরে আসতো এবং এদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেয়া ও পাকড়াও করা সম্ভব হতো। এই চক্রের সাথে জড়িতরা কোন শ্রেণির বা তাদের আসল উদ্দেশ্য কী কিংবা কীভাবে তারা প্রতারণা করে সে ধরনের কোনো তথ্য পুলিশের কাছে আছে বলে মনে হয় না। এরা খুব ধ্রুত এবং ছোট পরিসরে এ ধরনের প্রতারণা কার্যক্রম চালায়, ফলে কারো নজরে পড়ে না। তবে আবেদনকারীদের উচিত আবেদনের পূর্বে ভালোভাবে যাচাই করে দেখা। প্রলোভনে পড়ে অর্থ প্রদান না করা, আর সন্দেহজনক কোনো কিছু মনে হলে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো।
অন্যদিকে কোথায় কোন গলিতে কী হচ্ছে সেটা শুধুমাত্র প্রশাসনের পক্ষে সব জানা সম্ভব নয়। প্রশাসনের নজরে সবসময় নাও আসতে পারে। কেউ অভিযোগ করলে, মিডিয়া সূত্রে কিংবা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ নির্দিষ্ট একটি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারে। তবেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অ্যাকশন নিতে পারে। এছাড়া মিডিয়া এবং এলাকার সচেতন মানুষের সহযোগিতায় এসব প্রতারকদের প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে, তবেই এ ধরনের চক্রকে দমন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন এই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত