প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুন হওয়া দিয়াজের মা সরকারের ওপর ন্যায়বিচার পাওয়ার ভরসা রাখতে পারছেন না কেন?

 

চারু হক

সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে যে জননী মাটিতে লুটিয়ে কাঁদছেন, তার সন্তান চবি ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। সে নেতার সরকারই এখন ক্ষমতায় আছে। তবুও খুন হওয়া দিয়াজের মা ন্যায়বিচার পাওয়ার ভরসা রাখতে পারেন না। কেন পারেন না সেটা সবাই জানে। এ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধিকারী ব্যক্তি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকেও তার পিতার হত্যার বিচার পেতে চল্লিশ বছর অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে এবং ক্ষমতাসীন দলের খুন হয়ে যাওয়া এমপি-মন্ত্রীর মতো বড় বড় অনেক নেতার বিচার বছরের পর বছর ঝুলে আছে। অথচ বলা হয়, প্রশাসন দক্ষ আধুনিক, আইন আদালত স্বাধীন। হাস্যকর এ দাবি। একাত্তরে কেবল এ রাষ্ট্রের ভূমিকাটাই স্বাধীনতা পেয়েছে, এ ভূমির সন্তানদের মৌল মানবিক অধিকার, এদেশের আইন-আদালত, সামরিক-বেসামরিক প্রশাসন, এ দেশের শিক্ষা-দর্শন কিছুই স্বাধীন করা হয়নি এবং রাষ্ট্রপিতা সে ভুলের খেসারত না দিয়ে পারেননি।
ব্রিটিশের বীজ আর পাকিস্তানি ঔরসে জন্ম নেয়া বিকশিত হওয়া বাহিনীগুলো, আমলাতন্ত্র, আইন ও আদালতকে তিনি অপরিবর্তনীয়ভাবে গ্রহণ করেছিলেন। বিপরীতে সভ্যতার শ্রেষ্ঠতম চেতনা আর কল্পনাতীত কষ্ট সয়ে যারা এদেশের জন্ম দিয়েছিলেন, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীন দেশের পুনর্গঠন ও পরিচালনা থেকে দূরে রেখেছিলেন। সেই ভুল কী ফল দিয়েছে সবাই জানে এবং এখনো সে ভুলের মাশুলই দিতে হচ্ছে রক্তার্জিত এই জনপদকে। মানুষের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা প্রদানে নির্মিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নষ্টদের দখলে চলে গেছে। যদিও সম্প্রতি সমাপ্ত নির্বাচনের বিজ্ঞাপনে ক্ষমতাসীন দল বলেছে, ‘আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে।’ (দ্রষ্টব্য : নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮) ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত