প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কথিত ‘হারকিউলিস’-কাণ্ডে উল্টো মহাবিপাকে ভুক্তভোগীরা

সাজিয়া আক্তার : পিরোজপুরে ‘হারকিউলিস’-কাণ্ডে উল্টো বিপাকে ধর্ষণের শিকার পরিবার। ভুক্তভোগীকে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। অভিযুক্ত দুই যুবককে গুলি করে হত্যা করে কথিত হারকিউলিস। আর তার দায় চাপানো হচ্ছে ধর্ষণের ভুক্তভোগীদের। কে এই হারকিউলিস? খোদ পুলিশের দাবি তারাও এবিষয়ে অন্ধকারে। যমুনা টিভি

পিরোজপুর ভাণ্ডা নদবুলায় ধর্ষণের শিকার হন মাদ্রাসা ছাত্রী। তাদের বাড়ি এখন মানুষ শূন্য। ঘটনার পর দুই মামলায় উল্টো পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারকে।

গেলো ১৪ জানুয়ারি ১২ বছর বয়সি এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ১০দিন পর অভিযুক্ত দুই যুবকের লাশ পাওয়া যায়। দু’জনের গায়ে মিলে চিরকুট ধর্ষণের দায়ে তাদের এই পরিণতি। এদের মধ্যে রাকিবের লাশে লেখা ছিলো হারকিউলিস।
কিন্তু হারকিউলিসের দায়ে পড়ছে ভুক্তভোগী পরিবারের উপর। দুই দুটি হত্যামামলা এখন তাদের বিরুদ্ধে। শুধু তারা নন, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগীদের আশ্রয়দেয়া সহায়তাকারী এক শিক্ষকও।

নদমুলা দাখিলা মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান মিঠু বলেছেন, এই ধর্ষণের মিমাংসা না করে আমি কেনো আইনের আশ্রয় নিয়েছি এজন্য আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এখন আমার জীবনের নিরাপত্তা নেই।

পিরোজপুর ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন বলেছেন, এই মামলায় কাউকে হয়রানি করা হবে না। আমরা ভিকটিমকে বলেছি, তাদের পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক সহায়তা করা হবে।

কিন্তু কে এই হারকিউলিস? মাথায় গুলি করে কারা হত্যা করলো সজল ও রাকিবকে? পরিবার দুটির দাবি সাভার ও বাড্ডা থেকে সাদা পোশাকে মাইক্রোবাসে তুলে আনার কদিন পরেই লাশ মেলে এই দুই অভিযুক্তদের।

হঠাৎ ‘হারকিউলিস’ কাণ্ডে তোলপাড় হলেও পুলিশ বলছে তারাও অন্ধাকারে এ বিষয়ে।
ঝালকাঠি রাজাপুর সার্কেলের পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন রেজা বলেছেন, আমরা তদন্ত করে দেখছি। আমরা আশা করছি শিঘ্রই রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।

এখন প্রশ্ন হলো, ধর্ষণের উচিত শিক্ষা দিতে দায়িদের হত্যা করলো হারকিউলিস। এখন সেই ধর্ষণের শিকার পরিবারকে হয়রানির হাত থেকে বাঁচাবে কোন হারকিউলিস?

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত