প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংবাদ প্রকাশের পর ফরিদপুরে পদ্মায় অবৈধ বাধ উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে পদ্মায় অবৈধ বাঁশের বাধ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। এদিকে প্রশাসন পদ্মায় অবৈধ বাঁশের বাধ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করলেও তা নিয়মিত ভাবে অভিযান পরিচলনা করা হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার চরসালেপুর এলাকার পদ্মা নদীতে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা। এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসেন, মোবাইল কোর্ট পেশকার মোঃ জামাল, চরভদ্রাসন থানার এস.আই শাাহিনসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স।

অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসেন বলেন, আমরা গত বৃহস্পতিবার থেকে পদ্মায় অবৈধ বাঁশের বাধ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। কিন্তু বাধ সংশ্লিষ্টরা নিজেরাই তাদের বাধ উঠিয়ে নিবে বলে, আমাদের কাছে দুই দিনের সময় চাওয়ায় আমরা অভিযান বন্ধ রেখেছি।

তিনি আরও জানান, তারা যদি দুই দিনের মধ্যে তাদের বাধ উচ্ছেদ না করে তবে আমরা পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উক্ত বাধ উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

জানা যায়, ১৯৫০ মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পদ্মা নদীতে আড়াআড়িভাবে অবধৈ বাঁশের বাধ দেয়ায় পাবনা জেলার ঠাকুর চন্দ্র হালদার(৫৮), কানাই হালদার(৫৯), নরেশ হালদার (৫৫) তিন জনের কাছ থেকে ৫ হাজার করে নগদ ১৫ হাজার টাকা ও মানিকগঞ্জ জেলার শেখ আমজাদ(৩৩) ও তারা বাওয়ালি(২৪) এর ২ জনের কাছ থেকে নগদ ২ হাজার টাকা করে ৪ হাজার টাকাসহ মোট ১৯ হাজার টাকা নগদ জরিমানা আদায় দেখিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত মামলার নিস্পত্তি করেন। এছাড়া অভিযানে জব্দকৃত অবৈধ ২৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং আটক ৬০ কেজি মাছ উপজেলার আব্দুল শিকদার ডাঙ্গী মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, উপজেলার চরসালেপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে গত ১ মাস ধরে অবৈধ বাঁশের বাধ দিয়ে প্রভাবশালীদের মাছ শিকারের খবর গত (৭ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন উক্ত পদ্মা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

সর্বাধিক পঠিত