প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল তৈরি করেছে দেশীয় কোম্পানী

মারুফুল আলম : এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলগুলো দেশীয় কোম্পানীর তৈরি। এক্সপায়ারি ডেট ২০২১ পর্যন্ত। ২ লাখ ইউনিটের ক্যাপসুল তৈরি করেছে রেনেটা এবং ১ লাখ ইউনিট তৈরি করেছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস। দুটোই দেশীয় কোম্পানী। টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত স্বাস্থ্যকর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস শনিবার বিবিসি বাংলাকে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগেই এই ক্যাপসুল বাজারজাত হয়েছে।

এর আগে ভারত থেকে আমদানি করা ভিটামিন ক্যাপসুলের সমস্যার কারণে শিশুদের টিকা খাওয়ানোর কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছিলো। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সে সময় বলেছিলেন, কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি বলেই সেটি বাতিল করা হয়েছে। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, বাজারজাতের প্রসিডিউর হচ্ছে, ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ল্যাবে টেস্ট করার পর রিপোর্টের ভিত্তিতে বাজারজাত করার অনুমতি দেওয়া হয়। গতবারও একই প্রসিডিউর ছিলো। বাতিল করা হয়েছিলো গুণগত মানের কারণে নয়, তখন ক্যাপসুলগুলো গায়ে গায়ে লেগে গিয়েছিলো। এই তথ্যটা পাওয়ার পরে সরকার ঝুঁকি নিতে চায়নি। এবার সেই ক্যাপসুলগুলো নেই। এবার সাপ্লাই দেয়া হয়েছে নতুন ক্যাপসুল।

বাবা-মায়েদের মনে একটি ভয় রয়ে গেছে। এই অল্প কয় দিনে বাবা মায়েদের গতবারের সেই ভয়টা কীভাবে দূর করেছেন জানতে চাইলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, প্রতিটি উপজেলা জেলায় প্রচারণা চালানো হয়েছে এবং স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ওইভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  প্রসঙ্গত, সারাদেশে ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে আজ শনিবার। জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নীল ও লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

টিকা খাওয়ানোর জন্য সারাদেশে ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়াও অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে ২০ হাজার। বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট এরকম প্রতিটি উপজেলায় এরকম অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে। সর্বমোট ১ লাখ ৪০ হাজার সেন্টারের মাধ্যমে ২ লাখ ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক এবং ৫২ হাজার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মী এই কাজে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউনুস।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত