প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমানত দ্বিগুণ বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা

আমাদের সময় : বাড়তি খরচ ছাড়াই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দোরগোড়ায় সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এতে দ্রুত প্রসার হচ্ছে এ সেবা। ফলে ব্যাংকগুলোর শাখা ও গ্রাহকের সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে আমানত। এরই মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গত এক বছরে আমানত দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গত ডিসেম্বরে ৩ হাজার ১১২ কোটি টাকায় ঠেকেছে। একই হারে বেড়েছে এজেন্ট ও অ্যাকাউন্টের সংখ্যাও। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকিং সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে কম খরচে সেবার আওতায় আনতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পর এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালা জারির পরের বছর ব্যাংক এশিয়া প্রথমে এ সেবা চালু করে। এর মাধ্যমে এজেন্ট পয়েন্ট থেকে আমানত সংগ্রহ, ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ, সুবিধাভোগীর কাছে রেমিট্যান্সের অর্থ পৌঁছে দেওয়া, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ভাতাভোগীকে অর্থ প্রদান, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স জানা, অ্যাকাউন্ট ফরম সংগ্রহ, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের আবেদন ফরম এবং চেক বই সংগ্রহ করতে পারেন গ্রাহকরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১১২ কোটি টাকা। তিন মাস আগেও এই আমানত ছিল ২ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। এক বছর আগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। এই হিসাবে গত তিন মাসে আমানত বেড়েছে ৫৩৫ কোটি টাকা বা প্রায় ২১ শতাংশ। আর এক বছরে আমাত ১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা বা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এককভাবে সবচেয়ে বেশি আমানত থাকা আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে রয়েছে ৯২৮ কোটি টাকা। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে রয়েছে ৮২৭ কোটি টাকা। আর ব্যাংক এশিয়ায় রয়েছে ৬৯৬ কোটি টাকা।

আমানত সংগ্রহে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক সবচেয়ে এগিয়ে থাকলেও এজেন্ট ও আউটলেট বিবেচনায় এগিয়ে আছে ব্যাংক এশিয়া। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সব ব্যাংক মিলে ৪ হাজার ৪৯৩ এজেন্টের বিপরীতে আউটলেট রয়েছে ৬ হাজার ৯৩৩টি। এর মধ্যে ব্যাংক এশিয়ার আউটলেট আছে ২ হাজার ৫৬৬টি। এ ক্ষেত্রে ™ি^তীয় অবস্থানে থাকা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের আউলেট রয়েছে ২ হাজার ১৫০টি। পর্যায়ক্রমে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের রয়েছে ৫৬৩টি, ইসলামী ব্যাংকের ৩০৫টি, মধুমতি ব্যাংকের ২৮১টি। এ ছাড়া আল-আরাফাহ্ ইসলামী ও অগ্রণী ব্যাংকের রয়েছে ২০০টি করে আউটলেট।

২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে সব মিলিয়ে অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ৫৭ হাজার। তিন মাস আগে যা ছিল ২০ লাখ ২৯ হাজার। আর এক বছর আগে মোট অ্যাকাউন্ট ছিল ১২ লাখ ১৪ হাজার। এই হিসাবে এক বছরে অ্যাকাউন্ট ™ি^গুণেরও বেশি বেড়েছে। আর তিন মাসে বেড়েছে ২১ শতাংশ। এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ লাখ ৮৭ হাজার রয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে; ™ি^তীয় সর্বোচ্চ ৭ লাখ ৪৯ হাজার অ্যাকাউন্ট রয়েছে ব্যাংক এশিয়ায়; তৃতীয় সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার অ্যাকাউন্ট রয়েছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত