প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কর্ণফুলী উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যাবে শত কোটি টাকা

মঞ্জুর মোর্শেদ : কর্ণফুলী নদীর তীরে বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান চলেছে। গত তিন দিনের ধারাবাহিকতায় দেশের সবচেয়ে বড় ‘লবণের মোকাম’ মাঝির ঘাটে ভাঙ্গা পড়েছে বেশ কয়েকটি লবণ মিল ও গুদাম। লবণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ উচ্ছেদ অভিযানে তাদের ক্ষতির পরিমাণ শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র : জাগো নিউজ
বৃহস্পতিবার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম সকাল থেকে নতুন আরও ২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ নিয়ে গত চার দিনে অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে সাত একর জায়গা।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীপাড়ের লোহারঘাট, আনু মাঝির ঘাট, ও এভারগ্রিন ঘাটে থাকা অন্তত ১০টি লবণ মিল ও গুদাম গুড়িয়ে দিয়েছে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদকারী দল। গত কয়েকদিন ছোট মেশিন দিয়ে কাজ চললেও এদিন লম্বা স্ক্যাবেটরসহ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।

চট্টগ্রাম লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি হাজী কবির বলেন, ‘আমরা গত ৩০ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। কোটি কোটি টাকা বাজারে খাটিয়েছি। যারা লবণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের কেউ এখানে ভূমি মালিক নয়। সবাই ভাড়ায় এই মিলগুলো চালাত। কিন্তু হঠাৎ ভাঙ্গার মুখে পড়ে আমাদের এক একজনের ক্ষতি দুই থেকে তিন কোটি টাকা। অথচ অবৈধভাবে যারা দখল করে যারা আমাদের থেকে এতদিন ভাড়া নিয়েছে তাদের আজ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০টি লবণ মিল ভাঙ্গা পড়েছে। এতে প্রায় শত কোটি টাকার লোকশান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।’
এ বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি নজরে আনা হলে চট্টগ্রাম লবণ মিল মালিক সমিতির এ সভাপতি বলেন, ‘২০১৫ সালে যে সার্ভে হয়েছিল তার খুঁটি এখনো পোঁতা আছে। কিন্তু এখন প্রতিদিন নতুন নতুন দাগ দিয়ে ভাঙ্গা হচ্ছে। আপনি দেখেন মাত্র গতকাল নতুন দাগ দিয়ে আজ লবণ মিলগুলো ভাঙছে। যা আগের দাগে ভাঙ্গার বাইরে ছিল।’
চট্টগ্রাম লবণ মিল মালিক সমিতির নির্বাহী সদস্য মো. বখতিয়ার বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে পটিয়ার ইন্দপুর ও এই মাঝির ঘাট হলো লবণের আড়ত। মাঝির ঘাটে বাংলাদেশে লবণ তৈরি করে বাজারজাত করে এমন সব কোম্পানির মিল রয়েছে। নারিকেলতলা থেকে মাঝির ঘাটের পুরোটা জুড়ে লবণ মিল ছিল ৯০টির মতো। গত দুই দিনে প্রায় ৭০টি লবণ মিল ভাঙ্গা পড়েছে। এর মধ্যে দেশে সেরা দাদা, জননী, পপুলার ব্র্যান্ডেরও লবণ মিল রয়েছে।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত