প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রতিবছর পাচার হওয়া টাকা দিয়ে নির্মাণ যেতো দেড়টি পদ্মা সেতু বা ২টি মেট্রোরেল

সাজিয়া আক্তার : দেশ থেকে চলে যাচ্ছে অর্থ। পণ্যের মূল্য হেরফের করেই যাচ্ছে বেশিরভাগ টাকা। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এই অর্থ দেশে থাকলে একদিকে বাড়ানো যেতো বাজেট, আর অন্যদিকে বাস্তবায়ন হতো আরো মেগা প্রকল্প। পাচার না হলে করের মাধ্যমে রাজস্ব খাতও হতো সমৃদ্ধ। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাচার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। যমুনা টিভি

প্রতিবছর দেশ থেকে পাচার হয়ে যায় প্রায় অর্ধ লাখ কোটি টাকা। মূলত বাণিজ্যের আড়ালেই চলে গেছে এই অর্থ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা জিএফআইয়ের দেয়া তথ্য বলছে ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচারের পরিমাণ ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

২০১৫ সালে পাচার হয়ে যাওয়া প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে দ্বিগুণ বাড়ানো যেতো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ৭০ ভাগ বাজেট। আর এবছর যে রাজস্ব বাজেট দেয়া হয়, তা পাচারকৃত অর্থের ২০ ভাগ। এবছরের পাচারকৃত অর্থে মেগা প্রকল্পেও নির্মাণ করা যেতো দেড়টি পদ্মা সেতু অথবা এই বিশাল পরিমাণ অর্থে সম্ভব হতো মেট্রোরেলের মতো ২টি বিশাল প্রকল্প।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমাদের দেশ থেকে ১ বছরে যে ফাইভ পয়েন্ট নাইন মিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে যাচ্ছে, তা দিয়ে মেট্রোরেলের মতো আরো দু দশমিক তিনটি মেট্রোরেল প্রজেক্ট হাতে নেয়া যেতো। উন্নত দেশগুলো সাথে আমাদের দেশের বাণিজ্য ১৬ শতাংশের মতো। এক্সপোর্টার যে রেভিনিউ পাচ্ছেন তারা সেটা থেকে কম দেখাচ্ছেন।

সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, আমরা এখন যে পরিমাণ টাকা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বা অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করছি, তার থেকে আরো বেশি বিনিয়োগের সুযোগ থাকতো। এক্সপোর্টাররা যদি কর ঠিক মতো দিতো তাহলে সরকারের পক্ষেও তাদের বিনিয়োগের যে প্রতিবন্ধকতা থাকে সেই জায়গায় বিনিয়োগ করতে পারতো।

কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিক নানা সংস্থার তথ্য বলছে বাণিজ্যের আড়ালেই যাচ্ছে এসব পাচার হওয়া অর্থ। কিন্তু এটা বন্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন?

অর্থ পাচারকারিদের সনাক্তে কাজ শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ববোর্ড এনবিআর। কিন্তু অন্যান্য সংস্থাগুলোর তেমন কোনো তোড়জোড় নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত