প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পুলিশ সুপারের কঠোর অবস্থান, গা ঢাকা দিয়েছে কুষ্টিয়ার মাদক ব্যবসায়ীরা

মারুফুল আলম : মাদক নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর হুঁশিয়ারির পর গা ঢাকা দিয়েছে কুষ্টিয়ার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে সীমান্তে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে নতুনরা। জেলায় গত ৬ মাসে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ ৭ জন মাদকব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। ডিবিসি নিউজ।

মাদক ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস.এম তানভীর আরাফাত কঠোর হুঁশিয়ারী দেন। তিনি বলেন, যদি মাদক নির্মূল করতে না পারি, তাহলে এই জেলা থেকে চুরি করে চলে যাবো। পুলিশ বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি মাদককে প্রশ্রয় দিয়ে থাকে, তাহলে আমাকে জানান। সেই পুলিশকে আমি পুলিশের চাকরি করতে দেবো না।

এই জেলায় শীর্ষ কয়েক মাদক ব্যবসায়ীর বেশির ভাগের বাড়ি সীমান্তঘেষা দৌলতপুর উপজেলায়। যা মাদকের প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত। স্থানীয়রা বলছেন, বিশেষ অভিযানে বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মারা যাওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টেছে। কমেছে মাদক কারবারিদের দাপট। তারা বলছেন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন শক্ত অবস্থান নিয়েছে। আমরা তাদের কথা এবং কাজের মধ্যে মিল চাই। তবে কুষ্টিয়াতে মাদকের যে বিস্তৃতি ছিলো, সেটা ইতিমধ্যে কিছুটা কমেছে।

পুলিশের কড়াকড়িতে চিহ্নিতরা আত্মগোপনে গেলেও এই ব্যবসায় যোগ হয়েছে নতুনরা। পুলিশও বলছে নতুন কৌশলের কথা। কুষ্টিয়ার প্রশাসন ও অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জহির বলেন, ক্ষুদ্র মাদক ব্যবসায়ীরা যখন আইনের আওতায় চলে আসবে, প্রত্যাশা করা যায় যে, অচিরেই কুষ্টিয়া জেলাতে অল্প সময়ের মধ্যে সফলতার কাহিনী শোনাতে পারবো।

মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির পরামর্শ সচেতন মহলের। কুষ্টিয়ার সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম টুকু বলেন, আইনশৃক্সক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যদি জনগণ সক্রিয় হয়, তাহলে মাদক সম্পূর্ণরুপে নির্মূল হবে।

৬ মাসে জেলায় ৮ শতাধিক মামলার পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয় ৪০৭ জনকে। ব্যবস্থা নেয়া হয় কয়েক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও।

পুলিশ সুপারের স্পষ্ট বক্তব্য দৌলতপুরে মাদক থাকতে পারবে না। দৌলতপুরে যারা মাদকের ব্যবসা করবে এবং মাদককে সহায়তা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ২০১৮ সালে কঠোর আইনের সঙ্গে আমাদের একটি কঠোর আইন রয়েছে, সেটি প্রয়োগ করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত