প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রকাশের দাবি জনান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

হ্যাপি আক্তার : বাংলাদেশে পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নদী দখলে যে অবৈধ স্থাপনা রয়েছে, তা উদ্ধার করার জন্য বিআইডব্লিইটিএ যে অভিযান চালাচ্ছে, এটি অনেক বড় কর্মযজ্ঞ এবং এই কর্ম অভিযান পরিচালনা করার জন্য বিআইডবিøইটিএকে প্রচুর পরিমাণে অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। আর এই অর্থ আসছে জনগণের পকেট থেকে। তবে অম্পূর্ণ একটি তালিকার ভিত্তিতে এতো বড় একটি উচ্ছেদ অভিযান যা জনগণের মাঝে সাড়া ফেলেছে, এটি ভাবতে আমার কষ্ট হচ্ছে। বুধবার রাতে চ্যানেল ২৪ এর ‘মুক্তবাক’ টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

অবৈধ স্থাপনার তালিকার বাইরে কেন অতিরিক্ত স্থপনা রয়েছে প্রশ্ন তুলে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিদর্শনে যারা তালিকা করেছেন সেখানে ৬৫৬টি অবৈধ স্থাপনা আছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় তার অনেক বেশি স্থাপনা রয়েছে। তাহলে প্রথমেই প্রশ্ন থেকে যায়, এই অবৈধ স্থাপনার তালিকাটি কেনো সঠিক হলো না? যে অবৈধ স্থাপনার তালিকা তারা করেছেন এবং তারা বলছেন আরো অতিরিক্ত আছে। এই অবৈধ দখলদারদের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। আদালতেরও এই নির্দেশ রয়েছে। তাহলে আমরা যারা নদী দখলদারদের সম্পর্কে ধারণ রাখি, তারা জানতে পারবো এই তালিকা আসলে সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। নাকি যাচাইবাছাই করে ক্ষমতাবানদের কিছু কিছু অবৈধ স্থাপনা বাদ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, উচ্ছেদ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উঠে আসলো সেটা হলো সীমানা প্রাচীর। সীমানা প্রাচীর দেয়া হয়েছিলো আদালতের নির্দেশে। এবং তা সম্পূর্ণ করেছিলেন তৎকালীন ডিসিরা। আর সীমানা প্রাচীর নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত যেন তাদের বদলি না হয়, আদালত তারও নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার মানে সীমানা প্রাচীর দেয়ার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ভুল ও ভ্রান্তি রয়েছে। এই ভ্রান্তির সুযোগে ৬৫৬ থেকে ৯,শ হয়ে গেছে। তার মানে সীমান প্রাচীরে ভুল নকশা কারনে অবৈধ দখলদারেরা উৎসাহিত হয়ে আরো অবৈধভাবে দখল করলো। তা না হলে ৬৫৬ থেকে ৯’শ হতো না ।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত