প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কাপ্তাইয়ে দুই খুনের ঘটনায় জনসংহতি সমিতিতে জড়িত করায় সমিতির তীব্র প্রতিবাদ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ইখালী ইউনিয়নের কারিগড় পাড়ায় জনৈক মংসানুমারমা (৪০) ও মো. হিদুল ইসলামকে (৩২)খুনের ঘটনায় রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নিহতদের তাদের কর্মী দাবি করে এঘটনায় জনসংহতি সমিতিকে দায়ি করা হয়েছে।

অন্যদিকে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তাতিন্দ্র লালচাকমা-সুদর্শন চাকামার নেতৃত্বাধীন সংস্কার পন্থীরা ও মংসানুমারমাকে তাদের কর্মী দাবি করে এঘটনায় জনসংহতি সমিতিকে দায়ি করেছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ দৈনিক সমকাল পত্রিকায়“রাঙমাটিতে দুই আ.লীগ কর্মী’কে গুলি করে হত্যা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, “রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিক আহমেদ তালুকদার এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমানেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে দায়ি করেছেন।

”অথচ একই সংবাদে প্রকাশিত চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আশরাফ উদ্দিন বলেছেন, “কারা কি কারণে তাদের গুলি করে হত্যা করেছে, সেটা কেউ জানাতে পারছে না। এর পেছনের কারণ বের করতে পুলিশ চেষ্টা করছে। ”চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আশরাফ উদ্দিন গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ অনলাইন নিউজ পোর্টেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, “আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে গুলিবিদ্ধ লাশপড়ে থাকতে দেখতে পাই। কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে।”

অর্থাৎ কারা কি কারণে মংসানুমারমা ও মো: জাহিদুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করেছে সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনা সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ ও তাতিন্দ্র লালচাকমা-সুদর্শন চাকমার নেতৃত্বাধীন সংস্কারপন্থী কর্তৃক নিহতদের নিজের কর্মী দাবিকরেএ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে জড়িত করা হীনরাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও ষড়যন্ত্রবৈ আর কিছুনয়।

বস্তুতএ ঘটনার সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জড়িত নয়। জনসংহতি সমিতি এ ধরনের হত্যাকাণ্ডে ও সন্ত্রাসী রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এভাবে কোন ঘটনা ঘটলেই প্রতিনিয়ত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও সমিতির সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার, হয়রানি, ধর-পাকড়, নির্যাতন-নিপীড়ন করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম নসংহতি মিতিকে জড়িত করা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টেলসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত