প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম মনে করেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়াই দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠছে ধর্ষকরা

সৌরভ নূর : ‘দুষ্টের দমন শিষ্টের লালন’ কথাটির বিপরীত দৃশ্য প্রতিফলিত হচ্ছে আমাদের সমাজে। শুধু ধর্ষণ নয় খুন, গুম, রাহাজানির মতো অপরাধের ঘটনা চারপাশে বেড়েই চলছে। কারণ এসব অপরাধীর সংখ্যা এবং তাদের মানসিকতা অপরিবর্তিত রয়েছে। আমাদের সমাজ কাঠামো ও পারিবারিক শিক্ষার অভাব এরজন্য অনেকাংশে দায়ী। এছাড়া আমাদের দেশের বিচার প্রক্রিয়া এমনিতেইজটিল এবং দীর্ঘ, তারপরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠছে ধর্ষকরা। ধর্ষণের সংখ্যা বৃদ্ধির আরেকটি অন্যতম কারণ হলো ক্ষমতাবানরা বিভিন্ন কারণে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে এই ধর্ষক শ্রেণিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় প্রদান করে থাকে। ফলে এদের সংখ্যা বাড়ছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম ধর্ষণ প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, লোকাল পর্যায়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে অধিকাংশ সময় এতো বেশি আলোড়নের সৃষ্টি হয় না। তখন স্থানীয় পর্যায়েই সামাজিক আন্দোলন আরো জোরালোভাবে গড়ে তুলতে হয়। স্থানীয় প্রশাসন যদি আরো তৎপর হয় এবং নিরেপক্ষ অবস্থান নেয় তবে ধর্ষণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ধর্ষকদের চিহ্নিত করে প্রমাণের মাধ্যমে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং সেটা প্রকাশ্যে করতে হবে। শাস্তির ব্যাপারটা যদি প্রকাশ্যে হতো কিংবা প্রচার-প্রচারণাটা বেশি হতো মিডিয়ার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে যেতো ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির এ রকম সাজা হয়েছে তাহলে এ ধরনের প্রবণতা মানুষের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি হতো এবং অধিক কার্যকরী হতো। সুশাসনের অভাবে এ ধরনের ঘৃণ্য আপরাধ করার সাহস মানুষ বারবার করছে। এককথায় ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হতে পারে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত