প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মনবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেন, ধর্ষকদের মেরে ফেলা যেমন আইন না, তেমনি ধর্ষণের ঘটনাও সমর্থনযোগ্য না

আব্দুস সালাম : সম্প্রতি গণধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামির মৃতদেহ পাওয়া যায় যাদের গলায় বাধা চিরকুটে লেখা ছিলো ধর্ষণের এটাই পরিণতি। প্রতিটি ঘটনার শিকার হচ্ছে সন্দেহভাজন ব্যক্তি। এভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যা যেমন কাম্য না, তেমন ধর্ষণের ঘটনাও সমর্থনযোগ্য না। সব ঘটনার জন্য আমাদের আইন দায়ী বলে মন্তব্য করেন মনবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন। গতকাল ডিবিসি টেলিভিশনে এ কথা বলেন তিনি।

নূর খান বলেন, এ মাসের শুরুর দিকে একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেলো সেখানেও চিরকুটে লেখাছিলো, প্রতিটি ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি, কিন্তু এ ঘটনার শিকার হচ্ছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যাচ্ছে । সুর্বণচরের ঘটনাতে মানুষের একটি ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া ছিলো, কোনভাবেই ধর্ষণের ঘটনা সমর্থনের অবকাশ নেই। এসব ঘটনার জন্য আইনআদালত আছে সমাজের লোকজন আছে কিন্তু এটাকে পাশ কাটিয়ে যে ঘটনাগুলো ঘটছে গুলিবিদ্ধ লাশ এবং আসামি নিজে চিরকুট দিয়ে যাচ্ছে আমি ধর্ষণকারী।

তিনি আরো বলেন, আশুলিয়া থেকে ঝালকাঠি পর্যন্ত সিমটমগুলো মিলে না। আমরা দশ-পনেরো বছর আগে যে সকল হত্যাকাণ্ড দেখেছি যেমন- ক্রসফায়ার, বন্ধুক যুদ্ধ এগুলোতে নামের সাথে বিশেষণ লাগানো হতো বেঙ্গা মুরগী, কালা জাহাঙ্গীর ইত্যাদি, তখনকার হত্যার প্যাটার্নটা এমনি ছিলো।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজের নারীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এঘটনাগুলো এড়াতে রাষ্ট্রের যে উদ্যোগগুলো নেয়া দরকার ছিল তা নেয়া হয়নি। চিরকুটে হত্যাকারী নিজের পরিচয় হিসেবে লিখেছেন হারকিউলিসের নাম। এই হারকিউলিস নামটি কোন উগ্রপন্থির মাথা থেকে এসেছে, এবং সেটা তারাই হতে পারে যারা পেশীশক্তির আধিকারী এবং উগ্রমেজাজি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত