প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্ষেতমজুরদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে উন্নয়ণ সম্ভব নয় বললের নেতৃবৃন্দ

রফিক আহমেদ : কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গ্রামীণ জীবনের সাথে যুক্ত সংখ্যাগরিষ্ট কৃষক ক্ষেতমজুর ভূমিহীন চাষীদের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে দেশের উন্নয়ণ সম্ভব নয়। আর এজন্য বর্তমানে কৃষক-কৃষি-ক্ষেতমজুরদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ভোটাধিকার ও ভাত কাপড়ের সংগ্রামকে জোরদার করতে হবে। মঙ্গলবার সকালে পুরানা পল্টনস্থ মুক্তিভবনের ৫ম তলায় প্রগতি সম্মেলন কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ একথা বলেন।

বর্তমান সরকার দেশের জনগণের সকল অংশের মতো কৃষক-ক্ষেতমজুর তথা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, জনগণ ক্ষমতার মালিক একথা সংবিধানে লিখে রাখলেও বাস্তাবে জনগণকে ক্ষমতাহীন করে রাখা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, কৃষি-কৃষক-ক্ষেতমজুর বাঁচাতে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদের তিনি মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর পাশাপাশি তারা ১০ এপ্রিল ঢাকায় কৃষক-ক্ষেতমজুর সমাবেশের ডাক দিয়েছে নেতৃবৃন্দ।

এতে বক্তব্য পাঠ করেন সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার। সংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সাইফুল হক। উপস্থিত ছিলেন- এস. এম. এ সবুর, বজলুর রশীদ ফিরোজ, সাজ্জাদ জহির চন্দন, শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী ও আনোয়ার হোসেন রেজা। উপস্থিত ছিলেন মো. শাহ আলম, নিখিল দাস, জাহিদ হোসেন খান, রাজেকুজ্জামান রতন,আলমগীর হোসেন দুলাল, নিমাই গাংগুলী, জুলফিকার আলী, অর্ণব সরকার, মানবেন্দ্র দেব, লাকী আক্তার, শাহাদাৎ হোসেন খোকন, আসাদুল্লা টিটো ও আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ভোটাধিকার হরণ করে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে এক প্রহসণের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে বর্তমান সরকার ক্ষমতা আবারও দখলে নিয়েছে। তারা এজন্য তাদেরকে দেশ বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধ হতে আহবান জানান। তারা নজির বিহীন ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচনকালীন নিদর্লীয় সরকারের অধীনে দ্রত নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। এছাড়াও দাবির মধ্যে রয়েছে ধান, আলুসহ কৃষি ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত করাসহ প্রতি ইউনিয়নে ক্রয় কেন্দ্র চালু করে উৎপাদক কৃষকের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামে ফসল ক্রয় করা।

নেতৃবৃন্দ সরকারি উদ্যোগে পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণসহ জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর, খাস জমি উদ্ধার করে প্রকৃত ভ‚মিহীনদের নামে সমবায়ের ভিত্তিতে বরাদ্দ, ভ‚মি অফিস, তহসিল অফিস, সেটেলমেন্ট অফিস, পল্লী বিদ্যুৎ ও ব্যাংক ঋণের দুর্নীতি-অনিয়ম বন্ধ ও পুলিশী হয়রানী, জুলুম, নিপীড়ন, মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার বন্ধ করার দাবি জানান। এছাড়া ১ লাখ ৬৮ হাজার কৃষকের নামে দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মামলা ও ১২ হাজার কৃষকের নামে জারীকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত