প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দশ বছরে অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০ গুণ

জিয়ারুল হক : দেশের ৮২ শতাংশ রপ্তানি বাজার তৈরি পোশাকের দখলে। সেই পোশাকের বড় বাজার আমেরিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ। গত দশ বছরে ১১টি অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০ গুণের বেশি। চ্যানেল ২৪

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই প্রবণতা ভাঙতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের নতুন বাজার খোঁজার তাগিদ দেয় সরকার। এর জন্য ঘোষণা করা হয় প্রণোদনা। তবে প্রবেশের ক্ষেত্রে করসংক্রান্ত জটিলতা, কূটনৈতিক সমস্যা, পণ্যের মান, দাম, সময় এবং চাহিদাসহ বেশ কিছু জটিলতা নিরুৎসাহিত করে ব্যবসায়ীদের। স্বস্তির খবর হলো এসব কাটিয়ে নতুন বাজারগুলো এখন হয়ে উঠছে রপ্তানির বড় গন্তব্য। গত দশ বছরে ১১টি অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০ গুণের বেশি। সংশ্লিষ্টরা মনে করে মানসম্পন্ন পণ্য ও সঠিক সময়ে সরবরাহ করার কারণে আমাদের দেশের প্রতি আস্থা বেড়েছে ক্রেতাদের।

দশ বছর আগে এসব বাজারে রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৩৩.২৫ কোটি ডলার। যা বর্তমানে এসে ঠেকেছে ৩৪৯ কোটি ডলারে। এসময়ে একক বাজার হিসেবে বেশি এগিয়েছে জাপান। ৩ কোটি ডলার থেকে বর্তমান ৮৫ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়াতে ২ কোটি ডলারের বাজার পৌঁছে গেছে ৬৫ কোটি ডলারে। এগিয়েছে রাশিয়া, চীন, ব্রাজিল এবং ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। তবে এই অংক দেশগুলোর চাহিদার তুলনায় কম। এবিষয়ে সিপিডির ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান পরামর্শ দেন, আরো উদ্যোগ, সংস্কার, এবং প্রণোদনার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নেয়ার। তারা যেন প্রতিযোগিতা সক্ষম হয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে নিতে পারে। যে জায়গাগুলোতে দামসংক্রান্ত পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব সেদিকে নজর দেয়া উচিত। তবে তিনি মনে করেন সরকারের প্রণোদনা কাজে লেগেছে।

বিজিএমইএ এর সাবেক সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিমের দাবি সরকারের প্রণোদনা কাজে আসছে, এতে উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হচ্ছে এসব বাজারে রপ্তানি করতে। তিনি বলেন আমি যদি ইউরোপে রপ্তানি না করে অস্ট্রেলিয়াতে করি তাহলে কিছু ইনসেন্টিভ পাবো। এ কারণে অপ্রচলিত মার্কেটকে ব্যবসায়ীরা গুরুত্ব দিচ্ছে। ওই সব দেশে চাহিদা বাড়ছে, আমাদের উদ্যোক্তাদের পরিশীলতা বাড়ছে। তিনি বলেন, আমরা তাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত