প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালেই হবে শিশুসংক্রান্ত অপরাধ মামলার বিচার

হ্যাপি আক্তার : এখন থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিবেচিত হবে শিশু আদালত হিসেবে। ফলে শিশু অপরাধ মামলা বিচারের জন্য পাঠাতে হবে এই আদালতে। একই সাথে শিশুর বিরুদ্ধে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে তার বিচারও এই আদালতই করবে। তবে আলাদা শিশু আদালত স্থাপন জরুরি বলেও মত অনেক আইনজীবীর। চ্যানেল ২৪।

২০১৬ সালে হত্যা করা হয় স্কুল শিক্ষার্থী রিশাকে। ২০১৭ সালে মহানগর অষ্টম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচার। সেখানে ২০ সাক্ষীর মধ্যে নেয়া হয় ১৯ জনের সাক্ষী। তবে চার জন সাক্ষী শিশু এমন যুক্তি দেখিয়ে আসামিপক্ষের আবেদনের পর মামলাটি শিশু আদালতে বদলির নির্দেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। সে সময় শিশু আদালত হিসেবে কাজ করতো ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত।

এই মামলার একমাত্র আসামী ওবায়দুল যে প্রাপ্তবয়স্ক। তাই ২০১৩ সালের শিশু আইন অনুযায়ী কোন প্রাপ্তবয়স্কের বিচার করার এখতিয়ার শিশু আদালতের আছে কিনা এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় আসামিপক্ষ থেকে। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে আইন সংশোধন করে বলা হয়েছে, এরকম মামলার ক্ষেত্রে বিচার হবে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে। আর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যেটি একই সাথে শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে যেখানে এই ট্রাইব্যুনাল নেই সেখানে জেলা ও দায়রা জজ শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবে।

আইনজীবীরা বলছেন, সাক্ষী শিশু কিন্তু আসামী প্রাপ্তবয়স্ক, রায়টি কি হবে? এই বিষয়টি ওই আইনের অস্পষ্ট ছিলো। আইনে যে ত্রুটি ছিলো, সে ত্রুটি দূর হতে হবে।  এখনও শিশুবান্ধব আদালত তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এখন পৃথক শিশু আদালত স্থাপন করা জরুরী বলে মনে করেন, মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলী। তিনি বলেন, এখনো অনেকগুলো বিষয় আছে যেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। এখন শিশুরা বিভিন্নভাবে নানান অপরাধের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে, সেখানে আলাদা কোর্ট হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তার সাথে যে উন্নয়ন কেন্দ্র সেখানেও যে শিশু বান্ধব পরিবেশ তা নেই।

এছাড়া সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, আর যেসব মামলা এখন বিচারাধীন আছে সেগুলো ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে স্থানান্তর করতে হবে। আর এই সময়ের মধ্যে মামলাগুলো স্থানান্তর করা সম্ভব না হলে, আরো ৪৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করা যাবে। সম্পাদনা : রাজু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত