প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কর্ণফুলীর দুই পাড়ের উচ্ছেদ অভিযান জোরদার দাবি বিশেষজ্ঞদের

জাবের হোসেন : কর্ণফুলী নদীর অবৈধ দখল শুধু নদীকেই ঝুঁকিতে ফেলেনি, গত দেড় দশকে কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে ব্যবসায়ীদের। বিশেষ করে জোয়ারের পানির পাশাপাশি বৃষ্টির পানি নামার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নগরীতে যেমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো, তেমনি দিনের পর দিন ডুবে ছিল চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং গুদামগুলো। এ অবস্থায় চলমান উচ্ছেদ অভিযান আরো জোরদারের আহবান বিশেষজ্ঞদের। সময়টিভি

নগরীর শাহ আমানত সেতু থেকে ফিরিঙ্গী বাজার হয়ে বারিক বিল্ডিং বাংলা বাজার ঘাট পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এ পথে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার স্থাপনা। যার অধিকাংশই করা হয়েছে কর্ণফুলী নদীর বিশাল অংশ দখল করে। নদীর দুই তীর অবৈধ দখলের কবলে চলে যাওয়ায় ক্রমশ নাব্য সংকটে পড়ছিলো খরস্রোতা এ নদী।

চুয়েট সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কর্নফুলী যদি নাব্য হারিয়ে ফেলে তাহলে চট্টগ্রাম শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে। জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। গত এক দশক ধরে বর্ষা মৌসুমে নগরীতে জলবদ্ধতা সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে। আর এ জলবদ্ধতা জন্য বিশেষজ্ঞরা কর্ণফুলী নদীর দখলকে দয়ী করেন। ২০১০ সাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও নানামূখী প্রভাবে বারবার তা ভেস্তে গেছে।

চাক্তাই খাল রক্ষা কমিটি আহবায়ক শাহরিয়ার খালেদ বলেন, দখলদাররা অনেক ক্ষমতাধর এছাড়াও রাজনৈতিকভাবেও প্রভাবশালী। তাই উচ্ছেদ করা যায়নি এতদিন। দখলদাররা নদীর দুই তীরের জায়গা দখল করে ক্ষান্ত হয়নি। দখল করে নেয় পণ্যবাহী নৌকা এবং ট্রলার চলাচলের মাধ্যম চাক্তাই এবং রাজাখালী খালের মুখসহ জোয়ারের পানি চলাচলের আশপাশের সবগুলো খাল। ফলে শুস্ক মৌসুমে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ এবং আছাদগঞ্জসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। গত বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে এখানকার ৫শ কোটি টাকার পণ্য নষ্ট হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত