প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমাজে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে কেন?

লীনা পারভীন : আত্মহত্যা একটি মানসিক ব্যাধি। আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে সাইকোলজিক্যাল বা ডাক্তারি আলোচনা হতে পারে আর কোনো আলোচনা সামাজিকভাবে নীতিবিরুদ্ধ হওয়া উচিত। যে মানুষটির মধ্যে আত্মহত্যার বা প্রতিশোধের প্রবণতা থাকে সে আত্মহত্যা শব্দটি বা ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত হয় খুব সহজেই? তাই ঘটনার বিবরণ প্রকাশে মিডিয়া থেকে ব্যক্তি সবারই আরেকটু সচেতন হওয়ার দরকার আছে?
আমাদের সমাজে হতাশা, ব্যর্থতা, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, বিচ্ছিন্নতা বেড়েই চলেছে আর বাজার অর্থনীতির এই যুগে এসব বাড়াটাই স্বাভাবিক। আরও বাড়বে কারণ আমরা সবাই এখন কমার্শিয়ালাইজড? মানুষ হিসেবে নয় এই সমাজ আমাদেরকে দেখে একেকটি পণ্য হিসেবে। তাই দিনে দিনে মানুষের মানবিক বৃত্তিগুলো হয়ে পড়ছে ক্ষীণ। মানবিক বৃত্তি বা মানবিকতা হারিয়ে যাচ্ছে বলে কান্নাকাটি করেও কোনো বাঁচা নেই। কারণ আমরা কোনো ঘটনারই বিশ্লেষণের যে বৈজ্ঞানিক ধারা আছে সেই জায়গাটিতে যাই না বা যেতে চাই না?
ফেসবুকের যেমন ইতিবাচক প্রভাব আমাদের দেশ, সমাজ, রাজনীতিতে অনেক আবার এর নেতিবাচক প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণের জন্য নেই সিভিক সেন্স বা সামাজিক শিক্ষার কোনো উদ্যোগ?
দেশে বর্তমানে ৯ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ফেসবুক আছে প্রায় সবারই। এর মাঝে কয়জন শিক্ষিত (প্রকৃত) আর কয়জন নিজের বিবেক বা বুদ্ধি দিয়েই চলে না এমন লোক আছে? অথচ, যে কোনো ঘটনার প্রভাব পড়ছে সবার ওপরেই। তাই কথাও বলছেন সবাই সবার মতো করে। এর মধ্যে ইস্যুর যে দিকটাতে বেশিরভাগ লোকের মতামত থাকে সেদিককে কেন্দ্র করে তৈরি হয়ে যায় সামাজিক পারসেপশন। ভয়াবহ এক ট্রেন্ড? কী ভাবছেন আমাদের সামাজিক গবেষকরা? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত