প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিবিএস ডিজি বললেন জনবল সঙ্কট থাকলেও কৃষি শুমারি সঠিকভাবে করতে হবে

সাইদ রিপন: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলেছেন, জনবল সংকট থাকলেও সঠিকভাবে কৃষি শুমারি করতে হবে। সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে আমাদের হাতে যেন তথ্য জমা না থাকে। আমরা যেন তথ্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারি। ক্রটি বিচ্যুতি থাকতে পারে। কিন্তু সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে এ কাজটি করতে হবে।

সোমবার সকালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুরোতে ‘কৃষি শুমারি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি-২০১৮’ শীর্ষক প্রকল্পের দ্বিতীয় জোনাল অপারেশন পরিচালনার লক্ষ্যে বিভাগীয় ও জেলা শুমারি সমন্বয়কারীদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। সে উপলক্ষ্যেই কৃষি শুমারির দ্বিতীয় জোনাল অপারেশনের উদ্বোধন করেছে বিবিএস। মাঠ পর্যায়ে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুমারির কাজ চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) বিকাশ কিশোর দাস। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিএসের মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জাফর আহমেদ খান।

বিবিএস মহাপরিচালক বলেন, জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের (এফএও) এর তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সাল নাগাদ বিশ্বে যে পরিমাণ মৎস উৎপাদন হবে তার মধ্যে বাংলাদেশ এক নম্বরে থাকবে। তাছাড়া, ধানের জমি কমে শাকসবজির চাষ বেশি হচ্ছে। এতে চিন্তার কিছু নেই। প্রকল্প পরিচালক জানান, কৃষি শুমারিতে শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসহ পোল্ট্রি সাব-সেক্টরে ও বড় পরিসরে পর্যায়ক্রমিক পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা, কৃষিখাতের কাঠামোগত পরিবর্তন সংক্রান্ত উপাত্ত প্রদান করা, ভূমি ব্যবহার, জমি চাষের প্রকার ও ফসল বৈচিত্রের পরিসংখ্যান প্রদান করা, প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি উপখাতের উপাত্ত সংগ্রহ করা, সেচ, কৃষি উপকরণ ও যন্ত্রপাতি সম্পর্কে উপাত্ত প্রদান করা, মৎস্য সাব-সেক্টরের মৌলিক উপাত্ত প্রদান করা, ক্ষুদ্র প্রশাসনিক এলাকার কৃষিবিষয়ক মৌলিক তথ্য সরবরাহ করা এবং কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন জরিপের জন্য সেম্পল ফ্রেম সরবরাহ করা হবে।

তিনি বলেন, কৃষি শুমারির দ্বিতীয় জোনাল অপারেশনে সারা দেশের ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬টি এলাকায় গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে অংশ নেবেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮১৫ জন গণনাকারী। অর্থাৎ প্রতিটি এলাকার জন্য একজনেরও কম গণনাকারী গণনা কাজ করবেন। এছাড়াও ২২ হাজার ৩৭৩ জন সুপারভাইজার, ২১৯ জন সহকারী জেলা সমন্বয়কারী, ৭৮ জন জেলা সমন্বয়কারী এবং ১০ জন বিভাগী সমন্বয়কারী কাজ করবেন।

সর্বাধিক পঠিত