প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর জাল করা বরিশালের সেই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল

খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল: অভিনব জালিয়াতির আশ্রয় নেয়া আগৈলঝাড়ার সেই শিক্ষার্থী সুব্রত দাসের পরীক্ষা বাতিল করেছেন বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম। বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম বশিবো/ পনি/ এসএসসি/ ২০১৯/ ১৮৮৬ নং স্মারকে রবিবার আগৈলঝাড়ার ৬৩২নং শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রের এসএসসি পরীক্ষার্থী সুব্রত দাস, পিতা দীনেশ দাস, মাতা সবিতা রানী রোল নং- ৯০০৬৯১, রেজিষ্ট্রেশন নং ১৬১৫৪৪৫৭০৩এর প্রবেশপত্র বাতিল করেন। ওই পরীক্ষার্থীর পরবর্তি পরীক্ষা না নেয়ার জন্য পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস, কেন্দ্র সচিবকে পত্রের অনুলিপি প্রেরণ করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পত্র প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগে প্রকাশ, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল নিরঞ্জণ বৈরাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুব্রত দাস টেস্ট পরীক্ষা না দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের প্যাড, প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাঁল করে বোর্ড থেকে ম্যানুয়াল ফরম পুরনের অনুমতি দেখিয়েও পূরণে ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম এর স্বাক্ষর জাঁল করা প্রবেশপত্রে শনিবার ও রবিবার বাংলা পরীক্ষায় অংশ নেয়।

জাঁলিয়াতির এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর রবিবার বরিশাল বোর্ড সচিব প্রফেসর বিপ্লব কুমার ভট্টাচার্য আগৈলঝাড়ার ওই কেন্দ্র পরিদর্শন কালে শিক্ষার্থী সুব্রত দাস তাকে জানায়, “প্রবেশপত্রর ব্যাপারে তার মা সবিতা রানী সব জানেন”। ওই সময় বোর্ড সচিব সুব্রতর মা সবিতা দাসের কাছে জাল প্রবেশপত্রের ব্যাপারে জানতে চাইলে- সবিতা বোর্ড সচিবের সাথে ঔদ্ধত্য পূর্ণ আচরণ করেন।

এর আগে শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস ওই কেন্দ্রে একইভাবে পরীক্ষার্থী ও তার মায়ের সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে, ঘটনার সাথে শিক্ষার্থীর মা সবিতা রানী, বোর্ড কর্মচারী ফরিদ ও ভোলার লাল মোহন স্কুলের শিক্ষক মমিন উদ্দিন জাঁলিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত। এই জাঁলিয়াতি চক্রটি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে উপজেলা ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমীর মানবিক বিভাগের দুই শিক্ষার্থী রাব্বানী সরদার ও আকাশ সরকারকেও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে একইভাবে প্রবেশপত্র সরবরাহ করে। তবে ওই দুই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট নাম শিক্ষা বোর্ডকে একটি রিপোর্ট জমা দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বোর্ড সচিবের রিপোর্ট পেয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রতর প্রবেশপত্র ও পরীক্ষা বাতিল করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত