প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খননের ৩ বছরের মধ্যেমই ভরাট গোপালগঞ্জের ১০টি খাল, ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী

জাবের হোসেন: গোপালগঞ্জের ১০টি খাল খননের ৩ বছরের মধ্যে ভরাট হয়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কয়েক হাজার কৃষক। সেচ সুবিধার জন্য ৩ বছর আগে এই খাল খনন করা হলেও এরই মধ্যে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। গোপালগঞ্জ- টেকেরহাট সড়কের ৩৫ কিলোমিটার বেড়ি বাঁধ এলাকায় অন্তত ১০টি খালের এখন এই দশা। খালে পানি না থাকায় ভ‚গর্ভস্থ পানির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, খাল কাটার বরাদ্ধ থাকা সত্যেও সঠিক সময় খনন করা হচ্ছে না। তাই প্রতি বছরই ভরা অবস্থায় থাকে। খালকাটে কিন্তু ওদিকের মুখ কাটেনা যার ফলে আমরা পানি পাই না।  কৃষকদের অভিযোগ, খাল খননে অনিয়ম আর তদারকির অভাবেই এই ভোগান্তি। তাই দ্রæত খালগুলো পুনরায় খননের দাবি তাদের। কৃষকরা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদ ইচ্ছার অভাবে খালগুলো ঠিকমতো খনন হচ্ছে না। খাল খননের জন্য যে টাকা আসে তা ভাগ ভাটোয়ারা হয়ে যায় তাই খনন কাজ হচ্ছে না । ঠিকমতো খাল খনন হবে, যাতে কৃষকরা সেচের পানি ঠিকমতো পায় এটাই আমাদের দাবি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক সমীর কুমার গোস্বামী বলেন, যখন ধান কাটা শেষ হয়ে যায় আষার শ্রারন মাসে তখনই খাল কাটা হয়। এতে কৃষকের কোন উপকারে আসে না।আমারা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে যথেষ্ঠ বার বলেছি যেন সময় মতো খাল খনন করা হয়। কৃষকদের এই সংকটের কথা স্বীকার করেছে কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরও। তবে খাল খননে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের অনিয়মের অভিযোগ মানতে নারাজ পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৈাশলী মো.শফি উদ্দিন বলেন, আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করছি। যদি কেউ মনে করে ডিজাইন অনুযাই কাজ হয় না তা ভুল। সরকারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকার পরও সঠিকভাবে খাল খনন না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ গোপালগঞ্জের কৃষক ও স্থানীয় মানুষ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত