প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লেখক ফারুক হোসেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম নির্বাহী চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক : চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মোঃ ফারুক হোসেন সচিব পদমর্যাদায় জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)-এর প্রথম নির্বাহী চেয়ারম্যান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। গতকাল ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তিনি উক্ত পদে যোগদান করেছেন। গেল ২০১৮ সালে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (National Skill Development Authority) নামে যে আইন হয়েছে, সে আইনের আলোকে যাত্রা শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রথম শীর্ষ কর্তাব্যক্তি হিসেবে সম্প্রতি সরকার তাঁকে নিয়োগ দিলে তিনি রাজধানীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে গতকাল রোববার যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ)-এর মহাপরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন। সূত্র : চাঁদপুর কণ্ঠ।

জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন প্রতাপপুর গ্রামের মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হোসেনের পুত্র ফারুক হোসেনের জন্ম ১৯৬১ সালের ১ জানুয়ারি। তাঁর পিতা ছিলেন চাঁদপুর শহরস্থ লেডী প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষক। ১৯৭৬ সালে বলাখাল জেএন হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাসের পর ভর্তি হন চাঁদপুর কলেজে। ১৯৭৮ সালে এ কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯৮৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে চাকুরি জীবনে ২০০৩ সালে এমবিএ ও ২০১৪ সালে ইটালীর তুরিন ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ইন পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সম্পন্ন করেন। এছাড়া ২০১২ সালে আইপি-৩, ওয়াশিংটন থেকে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে ডিপ্লোমা অর্জন করেন।

এনএসডিএ’র নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে যোগদানের পর ফারুক হোসেন বলেন, দেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিচ্ছিন্নভাবে যেসব দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়, সেগুলোকে একটি প্লাটফর্মে এনে প্রশিক্ষণ কোর্সের কারিকুলাম প্রণয়ন, মানোন্নয়ন, সনদপ্রদান, দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান ইত্যাদি কাজগুলোর মধ্যে সমন্বয়, সমতা রক্ষা, সর্বোপরি বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুত দেড় কোটি নূতন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই মূলত জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তার পাশাপাশি দেশের সাহিত্যাঙ্গনে ফারুক হোসেনের ব্যাপক পরিচিতি একজন লেখক হিসেবে। সত্তর দশকে ছড়া নিয়েই লেখালেখির জগতে তাঁর প্রবেশ। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ছড়াকার হিসেবে তাঁর রয়েছে অসামান্য খ্যাতি। ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণ, রূপকথা সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশিত তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা ৪২টি। লেখালেখির জন্যে তিনি পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন ১৪টি। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পুরস্কার, চন্দ্রাবতী একাডেমি স্বর্ণপদক, মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, সিকান্দার আবু জাফর সাহিত্য পুরস্কার, সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশু একাডেমি শিশু সাহিত্য পুরস্কার উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। বাচিক শিল্পে রয়েছে তাঁর ঈর্ষণীয় দক্ষতা। তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত