প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অলক্ষ্যে অট্টহাসি হাসছে বাংলাদেশের নিয়তি!

হাসান মাহমুদ : অলক্ষ্যে অট্টহাসি হাসছে বাংলাদেশের নিয়তি…। অলক্ষ্যে অট্টহাসি হাসছে পাকিস্তানের বর্তমান…। তাদের ধ্বংসের শুরুটাও এভাবেই হয়েছিলো, তাদের রাজনীতিকরাও অতি চালাক ছিলো। ইতিহাস অস্ফুটস্বরে বলছে, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না… আহা! কী ‘পুলকিত’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী!

১ ফেব্রুয়ারি বিকালে হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় (হাটহাজারী বড় মাদ্রাসা) গিয়ে হেফাজত আমিরের দোয়া নেন তিনি। পরে হেফাজত আমিরের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা ভালোভাবে অনুষ্ঠানে শফী হুজুরের কাছ থেকে দোয়া নিতে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘হুজুরও বিশেষভাবে দোয়া করেছেন এবং ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তা, তত্ত্বাবধান ও কার্যক্রম সুন্দর এবং নির্বিঘেœ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছর এসে যথেষ্ট খুশি হয়েছিলেন। এবারও তিনি তেমন পুলক অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছেন।’ আসাদুজ্জামান কামাল গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারিও হাটহাজারী মাদ্রাসায় গিয়ে আহমদ শফীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে পুনরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে ঠিক এক বছরের মাথায় ফের হেফাজত আমিরের কাছে গেলেন তিনি। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্টতার প্রবণতা নিয়ে আলোচনার মধ্যে জঙ্গিবাদ রুখতে আলেম-ওলামাদের সচেতনতামূলক কর্মকা-ের সমন্বয় করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। কওমি সনদের স্বীকৃতির পরেও বিভিন্ন ধারার আলেম-ওলামাদের নিয়ে সভায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার হেফাজত আমিরের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ সম্পর্কে হাটহাজারী মাদ্রাসার নিয়মিত প্রকাশনা ‘মাসিক মঈনুল ইসলামে’ সম্পাদক সারওয়ার কামাল বলেন, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদ্রাসায় আসেন এবং প্রায় পৌনে একঘণ্টা ‘বড় হুজুরের’ সঙ্গে সময় কাটান। আসাদুজ্জামান কামাল এ সময় হেফাজত আমিরের সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাতকানিয়ার সংসদ সদস্য আবু রেজা মো. নেজামুদ্দিন নদভী, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুপুরে ফটিকছড়ির নানুপুর ওবাইদিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চট্টগ্রাম আসেন। সেখানে জুমার নামাজের পরে অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। নানুপুর মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে হাটহাজারী মাদ্রাসায় গিয়ে আহমদ শফীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মন্ত্রী। বিভিন্ন সময় নারীদের নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য সমালোচিত হেফাজত আমির আহমদ শফী সম্প্রতি মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য দিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেন। মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলে তিনি মেয়েদের স্কুল-কলেজে না দিতে এবং দিলেও সর্বোচ্চ চতুর্থ কিংবা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর ওয়াদা নেন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। এ নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার মধ্যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে আহমদ শফী বলেন, তার বক্তব্য ‘বিকৃত’ করায় সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নারী শিক্ষার বিরোধী নন, ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে স্কুল-কলেজে লেখাপড়ায় আপত্তি জানিয়েছেন। বাংলাবিডিনিউজ২৪ডটকম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত