শিরোনাম
◈ মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস-অটোরিকশার মু‌খোমু‌খি সংঘর্ষ, ৪ জ‌নের মৃত‌্যু ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইস‌্যু‌তে ম‌তের অ‌মিল, জোটে থেকেই জামায়াতকে চাপে রাখতে চায় এনসিপি ◈ এশিয়া কাপের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা কর‌লো বি‌সি‌বি ◈ আতলেতিকোর মাঠে বায়ার্ন মিউনি‌খের দুই গোলের জয় ◈ দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও জয় পে‌লো ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড ◈ শ্রমিক বিক্ষোভের শঙ্কায় গাজীপুরে ২৫ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ◈ ১৬ মিনিটেই চার গোল, ভিয়ারেয়ালকে ৬-০ গোলে হারা‌লো পিএসজি ◈ ইয়ামাল-রাফিনিয়ার দাপটে অ‌্যাস্টন ভিলাকে ৩-০ গোলে হারালো বার্সেলোনা ◈ শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে লড়াইয়ে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ডসহ চার দেশের প্রতিষ্ঠান ◈ শ্রমিক বিক্ষোভে বিপর্যস্ত পোশাকশিল্প, মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিদেশি ক্রেতারা

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:১৯ রাত
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:১৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেহমানের যতো কর্তব্য

আমেনা বেগম বিউটি : ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। জন্মের শুরু থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যাবতীয় করণীয় বিষয়সমূহ সম্বন্ধে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ পাক এবং হাদিস শরীফে তাঁর রাসূল (সা.) সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মেহমানদারি ছিল আমাদের নবীজির (সা.) বিশেষ বৈশিষ্ট্য। ফার্সি ভাষায় মেহমান মানে অতিথি আর মেজবান হচ্ছেন; যিনি অতিথিদেরকে আতিথেয়তা দিবেন। আজ আমরা ইসলামের নীতি অনুসারে মেহমান হিসেবে একজন মুসলিমের কর্তব্য এবং আদবসমূহ সম্পর্কে জানবো।

(১) কারো বাড়িতে মেহমান হিসেবে যেতে হলে মেজবানের শিশুদের জন্য কিছু হাদিয়া তোহফা নিয়ে যাওয়া উচিত। এতে করে বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের অনুভূতি বৃদ্ধি পায়। (২) যার বাড়িতে মেহমান হিসেবে যাওয়া হোক না কেন তিনদিনের বেশি সময় অবস্থান না করার যথাসাধ্য চেষ্টা করা। প্রিয়নবী (সা.) এর হাদিস শরীফে এসেছে, কোনো মুসলিমের জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের কাছে এত বেশিদিন অবস্থান করে যে তাকে গুনাহে লিপ্ত করে। সাহাবিগণ জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে? নবি (সা.) বললেন, মেহমান এতদিন অবস্থান করল যে তাকে খাওয়ানোর মত কিছু মেজবানের কাছে অবশিষ্ট থাকল না। (সহিহ মুসলিম)

(৩) শুধু অপরের মেহমান হওয়া শোভনীয় নয়, অন্যদেরকেও নিজের ঘরে আসার দাওয়াত দেয়া এবং আতিথেয়তার কমতি না করা উচিত। (৪) যার ঘরে মেহমান হিসেবে যাওয়া হবে তার কর্মব্যস্ততা ও দায়িত্বের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। বিশেষ করে লক্ষ রাখতে হবে যে, নিজের কারণে তার কর্ম ব্যস্ততার জন্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না হয় এবং দায়িত্বে ব্যাঘাত না ঘটে।

(৫) মেজবানের নিকট কিছু দাবি করা যাবে না। তিনি মেহমানের সন্তুষ্টির জন্য স্বেচ্ছায় যে ব্যবস্থা করবেন তার ওপরই মেহমানের শুকরিয়া আদায় করা উচিত আর তাকে অনর্থক কষ্টে ফেলবে না। (৬) মেজবানের বাড়ির পুরুষদের অনুপস্থিতিতে ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী ঐ বাড়ির যে সব মহিলাদের সঙ্গে পুরুষের কথা বলা হারাম তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবে না বা কারো কথাবার্তা কান লাগিয়ে শুনবে না। (৭) কারো বাড়িতে যখন দাওয়াতে যাবে পানাহারের পর মেজবানের সম্পদ বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের উন্নতি, মাগফিরাত ও রহমতের জন্য দোয়া করবে।

রাসূল (সা.) একবার এক সাহাবির বাড়িতে গেলেন দাওয়াতে। সাহাবী রুটি ও জলপাই খাবার হিসেবে আপ্যায়ন করলে রাসূল (সা.) তা খেয়ে সাহাবিকে এই দোয়া করলেন, ‘তোমাদের নিকট রোজাদারগণ ইফতার করুক! সৎ লোকেরা তোমাদের খাদ্য খাক! আর ফেরেশতাগণ তোমাদের জন্য মাগফিরাত ও রহমতের দোয়া করুক।’

  • সর্বশেষ