শিরোনাম
◈ জমজম কূপের নিচে ক্যামেরা নামাতেই থমকে গিয়েছিলেন সৌদি আরবের শীর্ষ বিজ্ঞানীরা (ভিডিও) ◈ বোয়িং থেকে পরমাণু সহযোগিতা, তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরে কী কী অর্জন হলো? ◈ বেদখল জমি ৩ মাসে ফেরত, সুফল পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা ◈ কোটি টাকার রাজস্বেও নাগরিক সুবিধাহীন শালবাহান হাট : টয়লেট-পানির সংকট, ময়লায় নাকাল ক্রেতা-বিক্রেতা ◈ নয়াদিল্লির বাইরে নতুন রূপরেখায় বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি সাজাচ্ছে বাংলাদেশ ◈ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ বিদেশে যাওয়ার আগে দক্ষতা প্রশিক্ষণ নেই দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশি কর্মীর, বেতন-বৈষম্যে পিছিয়ে ◈ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিয়োগপত্র না পাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি, দ্রুতই দেওয়া হবে: প্রার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবা, রুটি-চা এনে নিজের হাতে খাওয়াল ছোট্ট মেয়ে ◈ জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক থেকে আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৯:৩৪ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৯:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের অন্যতম কারণ প্লাস্টিক, তবে কেমন হতো প্লাস্টিক বিহীন পৃথিবী?

হ্যাপি আক্তার : প্লাস্টিককেই এখন বলা হচ্ছে পরিবেশ আর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের অন্যতম কারণ। তবে কী এমন হতো যদি প্লাস্টিক আবিষ্কারই না হতো। আমাদের দৈনন্দিন জীবনেই বা এর কী প্রভাব পড়তো? কিংবা এই একটি জিনিসের ব্যবহার বাদ দিলে কী পরিমাণ জলজ প্রজাতির জীবন বাঁচানো যেতো। চ্যানেল ২৪ এর এক প্রতিবেদনে এর বিস্তারিত তুলে ধারা হয়েছে।
সকাল থেকে শুরু করে সারা দিনের জীবন যাপনে সব কিছুতেই প্লাস্টিকের ব্যবহার। কিন্তু কি হতো যদি প্লাস্টিকই না থাকতো। আমরা যে প্লাস্টিক ব্যবহার করি তা সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস কিংবা তেলের রাসায়নিক যৈব। পুড়িয়ে ফেলা ছাড়া এই অপচনশীল দ্রব্য ধ্বংস হয় না।

পরিসংখ্যান বলছেন, ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৬.৩ বিলিয়ন টন প্লাস্টিক তৈরি হয়েছে বিশ্বে। এর মধ্যে ৯ শতাংশ রিসাইকেল করা হয়েছে। ১২ শতাংশ পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে। আর বাকি ৭৯ শতাংশ অর্থাৎ ৪.৯ বিলিয়নের বেশি প্লাস্টিক পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশেই জমা হয়ে আছে। বলা হয় এগুলো যদি সব একসাথে জমা করা হয় তাহলে তা মাইথ এভারেস্টের চেয়ে উঁচু হবে।

প্লাস্টিকের বড় একটি অংশই সমুদ্রে মিশে যায়। যা জলজ প্রাণীর খাদ্য চক্র নষ্ট করে। তাই বলা হয় যদি এই প্লাস্টিকের ব্যবহার মানুষ বাদ দিতো তাহলে হাজারো জলজ প্রাণীর প্রাণ রক্ষা করা যেত।  এ্যালোমিনিয়ামের ক্যানগুলোতে প্লাস্টিকের রেজিন দিয়ে প্রলেপ দেওয়া থাকে। যদি এটি দেয়া না হতো তাহলে এটি তিন দিনের মধ্যেই ওই কোমল পানীয়র স্বাদ চলে যেত। পেপার কাপেও কিন্তু চিকন লেয়ারে প্লাস্টিক থাকে। তা না হলে এর ভেতরে লিকুইট রাখা সম্ভব হতো না। নো প্লাস্টিক না টি-ব্যাগে। কারণ টি-ব্যাগ পলি এথিলিন দিয়ে সিল করা। প্লাস্টি বিহীন সবগুলো জিনিসের চেহারা পালটে যেত।

যে কোনো লিকুইট গøাস কিংবা কাচের বোতলে বিক্রি হতো। মাংস কিংবা চিজের জিনিসগুলো কাগজে মুড়িয়ে বিক্রি হতো। পেপার কিংবা কার্ড বোর্ডে মুড়িয়ে বাজার জাত করা হাতো ।  প্লাস্টিকের কারণে খাবার দীর্ঘ সময় ধরে সতেজ থাকে। তাই প্লাস্টিক বিহীন খাবার সতেজতা ধারে রাখা কঠিন হতো। সে জন্য অন্য দেশ থেকে খাবার আমদানীর পরিবর্তে নিজেদেরই অনেক খাবার তৈরি করতে হতো। আবার কিছু খাবার শুধু মৌসুমেই পাওয়া যেত।

প্লাস্টিহীন জামা-কাপড়ও শুধু ফাইবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো। থাকতো না পলেস্টারের মুজা, নাইলনের জামা, একুয়েলিক সুয়েটার কিংবা ক্রিস জেকেট।  প্লাস্টিক ব্যবহার ছাড়া পানি রোধক সেপ্টি ট্যাংক থাকতো না। এটি ছাড়া কম্পিউটার কিংবা মোবাইলের কোনো শস্তা সার্কিট বানানোই সম্ভব হতো না ।

তাই বলা হচ্ছে প্লাস্টিক বিহীন আমরা ১৮৭০ দশকেই আটকে যেতাম। যেখানে কাউকে আলাদা করে রাখতে অস্থিতিশীল ও বিপদজনক বেকার ও রাবার ব্যবহার করা হতো। সাশ্রয়ী মূলে যেসব ইলেকট্রনিক পণ্য পাচ্ছি তা সম্ভব হতো না।
তবে এতো কিছুর পরেও প্লাস্টিকের ব্যবহার যদি না থাকতো অন্তত পক্ষে আমরা পৃথিবীকে দূষিত করতাম না।

  • সর্বশেষ