প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এখন ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

রবিন আকরাম: একজন সম্পাদককে হত্যা পরিকল্পনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তারের পর আবার আলোচনা শুরু হয়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমকে (এবিটি) নিয়ে৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, জঙ্গিরা চুপ হয়ে যায়নি৷ তথ্য- ডয়চে ভেলে

শুধু সম্পাদক হত্যার পরিকল্পনা নয় এবিটি’র সদস্যরা ‘ইসলাম বিদ্বেষী’ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের চিহ্নিত করে তাদের গতিবিধিও পর্যবেক্ষণ করে আসছিল৷ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব) এবিটির যে চারজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব বিষয় নিশ্চিত হয়েছে৷

৩১ জানুয়ারি উত্তরা এলাকা থেকে এবিটি’র বিশেষ সেলের যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তাদের অন্যতম পরিকল্পনা হচ্ছে সংগঠনের প্রধান জসিমউদ্দিন রাহমানীকে কারাগার থেকে মুক্ত করা৷ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কারাগারে হামলা করে হলেও জসিমউদ্দিন রহমানীকে মুক্ত করার সিদ্ধান্ত ছিল তাদের৷ এজন্য তারা এরইমধ্যে অর্থ সংগ্রহ করেছে৷’

২০১৫ সালের ২৫ মে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয়৷ তখন তারা বাংলাদেশে আনসার আল ইসলাম নামে কাজ শুরু করে৷ জঙ্গি বিষয়ক রিপোর্টার এবং বাংলা ট্রিবিউনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নুরুজ্জামান লাবু বলেন, ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নামে কাজ শুরু করেছিল৷ আনসারুল্লাহ বাংলা টিম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হওয়ার পর তারা মূল নাম আনসার আল ইসলাম নামে কাজ শুরু করে৷’

‘কারাগারে জসীমউদ্দীন রাহমানী মূলত এই জঙ্গিগোষ্ঠীর আধ্যাত্মিক নেতা৷ তাদের অপারেশনাল কমন্ডার সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর জিয়া৷ তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি৷ এই মেজর জিয়াই এখন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম বা আনসার আল ইসলামকে সংগঠিত করছে৷’

নুরুজ্জামান লাবু জানান, ‘রাহমানী জেলে যাওয়ার পর পুরো সংগঠনের দায়িত্ব নেন সেনাবাহিনী থেকে বহিস্কৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক৷ বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এখন এই আনসার আল ইসলামই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ৷ কারণ জিয়া সেনবাহিনীর কমান্ডো অফিসার ছিলেন এবং তিনি ধরা পড়েননি৷ জিয়া আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন৷’

এ বিষয়ে নিরপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল আবদুর রশিদ (অব.) বলেন, ‘জঙ্গিদের সংগঠিত হওয়ার প্রবণতা সব সময়ই৷ তাই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা একটু কমলেই তাদের সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা আরো বেড়ে যায়৷ তাই জঙ্গিবিরোধী অভিযানে কখনোই ঢিল দেয়া যাবে না৷’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত