প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আফসান চৌধুরীর মতে, ‘বাংলা ভাষার অধিকতর চর্চার মাধ্যমে’ বাংলাভাষা বলা ও লেখায় যে ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, তা দূর হবে

মঞ্জুর মোর্শেদ : বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা গবেষক আফসান চৌধুরী বলেছেন, ১৯৫২ সালে আমাদের যে আন্দোলন ছিলো মূলত ভাষার আন্দোলন। তরুণরা রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলাকে এনেছিলো। আজ আমরা বাংলাভাষায় কথা বলার যোগ্যতা অর্জন করেছি। বাংলা ভাষায় কথা বলা লেখার সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা সহজ হয়েছে। বাংলা ভাষা চর্চা আমাদের আরো বাড়াতে হবে। বাংলাভাষা বলা ও লেখায় আমাদের এখনও অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, যা কাম্য নয়। কারণ ভাষাসৈনিকরা রক্ত দিয়ে আমাদের ভাষাকে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছে। গত শুক্রবার ডিবিসি নিউজের ‘রাজকাহন’ অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, ‘বাংলা ভাষার অধিকতর চর্চার মাধ্যমে’ বাংলাভাষা বলা ও লেখায় যে ত্রুুটি-বিচ্যুতি আছে তা দূর করতে হবে ।

তিনি বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা ও মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে প্রসাশনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষো করে স্বতঃস্ফূতভাবে রাজপথে নেমে আসে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র যুবকসহ সর্বস্তরের মানুষ। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন সালাম জব্বার রফিকসহ আরো অনেকে। তারই ধারাবাহিকতায আমরা বইমেলা আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছি। বইমেলা বাঙালির প্রাণের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। বইমেলা কবে আসবে আমরা অধির আগ্রহে থাকি। বই মানুষকে জ্ঞানের সঞ্চার করে। বই যত পড়ে ততই ভালো লাগে। গ্রামে-গঞ্জে সবখানেই একটাই আশায় থাকে কবে একুশের বইমেলা আসবে। মেলায় নতুন নতুন বই আসে, যা পাঠকের হৃদয় আকৃষ্ট করে।

তিনি আরো বলেন, এবারের বইমেলার আয়োজন আমার কাছে খুবই ভাল লাগছে। বইয়ে নতুন নতুন লেখা পাওয়া যাচ্ছে। অনেক লেখকের নতুন বই আসছে। আমার লেখা অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে। সেটা আমাদের গর্বেরও বটে। যে বইগুলো পড়তে আকর্ষণীয় ও ভালো মানের লেখা সেগুলো কিনতে হবেও পড়তে হবে। আমরা বই পড়বো জানার জন্য এবং জানানোর জন্য এটাই হওয়া উচিত। বই পড়ার আনন্দটা শহর থেকে গ্রামে পৌঁছিয়ে দিতে হবে। তাহলে আমাদের লেখাটা সার্থক হবে। সম্পাদনা : আলমগীর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত