প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রঙ বদলাচ্ছে রাজনীতি

খোলাকাগজ :  দেশের রাজনীতির রঙ বদলাচ্ছে। মাঠের ‘উত্তাপ’ এখন টেবিলের ‘শান্তিপূর্ণ’ আলোচনায় রূপ নিয়েছে। আগের মতো হরতাল নেই, অবরোধ, সহিংসতা বা বিরোধীপক্ষের হটকারিতাও নেই। অন্তত গত পাঁচ বছরে দেশে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাঠ উত্তপ্ত করে, অহেতুক সহিংসতা ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বাস্তবতা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে এসেছে। দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের মানসিক পরিবর্তন রাজনীতিকে এমন ইতিবাচক ধারায় ফেরাচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্বাপর রাজনৈতিক সহিংসতা এদেশের রাজনীতিকে বড় ধরনের শিক্ষা দিয়েছে। রাজনীতি যদি মানুষের জন্য হয় তাহলে সে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মানুষ কেন প্রাণ হারাবেন-এমন প্রশ্নই বারবার উঠে এসেছে সর্বত্র। ওই বছরে বিএনপি-জামায়াতের নজিরবিহীন সন্ত্রাস-সহিংসতা মেনে নিতে পারেনি দেশের মানুষ। সে সহিংস রাজনীতির খেসারত দিতে হচ্ছে বিএনপির মতো দলকে। ২০১৪-পরবর্তী বিএনপির কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মানুষের সাড়া মেলেনি। এমনকি যৌক্তিক ইস্যুতে কোনো আন্দোলনেও মানুষের সমর্থন বাগাতে পারেনি দলটি। উপরন্তু সহিংসতার কারণে বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার, মামলা-হামলার শিকার হতে হয়েছে। রীতিমতো কর্মীশূন্য হয়ে পড়েছে তৃণমূল। এর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে। ইতিহাসের চরমতম ভরাডুবি ঘটেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের। কারণ নির্বাচনে দলটি মাঠে যেমন কাজ করতে পারেনি তেমনি ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে এজেন্টও নিয়োগ করতে পারেনি সাংগঠনিক শক্তির অভাবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি তার জোটসঙ্গী জামায়াতকে নিয়ে যে সহিংস রাজনীতির ক্ষেত্র তৈরি করেছিল, মানুষ মূলত সেটাকেই বর্জন করেছে। বিএনপি যে এ থেকে বড় ধরনের শিক্ষা নিয়েছে, তা বোঝাই যাচ্ছে। ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফল বর্জন করলেও বিএনপি হটকারী কোনো কর্মসূচির দিকে যায়নি। বরং তাদের বক্তব্যে অনড় থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিই পালন করে চলেছে। এর মধ্যে সভা-সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে ভাবলেও দলটি নিয়মতান্ত্রিক ও অহিংস আন্দোলনের দিকেই যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বিএনপির এ ভূমিকাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন। পাশাপাশি সংলাপ-সমঝোতা, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বাহাসে দলটির আগ্রহ আরও বাড়বে বলেই আশা করছেন তারা।

সহিংসতার আবর্ত থেকে বেরিয়ে শান্তিপূর্ণ রাজনীতির ধারায় দেশকে ফেরানোর এ কৃতিত্ব কেউ কেউ দিতে চাইছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে। টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার ব্যাপক অর্থনৈতিক পরিবর্তন সাধন করেছে। ব্যাপক কর্মসংস্থান ও ব্যবসায় বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে পাঁচ বছর আগেও যে বেকার তরুণরা রাজনৈতিক সহিংসতায় ‘ভাড়া’ খেটেছে তারা এখন বেকার নয়। অন্তত কিছু একটা করে খাওয়ার পরিবেশ পেয়ে কর্মমুখী হয়েছে। পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীরাও নিজেদের ব্যবসা ও চাকরির নিশ্চয়তা পেয়ে ঘরে ফিরেছেন। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সহিংসতায় তাদের আগ্রহ কমেছে। কারণ সহিংসতা তাদের জীবনে অনিশ্চয়তার বেশি কিছু দিতে পারেনি। শান্তিপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনকেই তারা বেছে নিয়েছেন।

আবার কেউ কেউ বলছেন, এটা সরকারের কৃতিত্ব নয়। মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ভালোবাসে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা চায়। বিএনপি-জামায়াতকে নিয়ে যে সহিংস রাজনীতি বেছে নিয়েছিল মানুষ তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তা ছাড়া মানুষের নিত্যনৈমিত্তিক কোনো সমস্যা ইস্যু করে কোনো আন্দোলন করেনি। সব সময় জিয়া পরিবারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুকেই তারা প্রাধান্য দিয়েছে। তাই মানুষের সমর্থন পায়নি। অন্যদিকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সিপিবি-বাসদসহ বামপন্থী দলগুলো বেশ কয়েকটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সংঘটিত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও সরকারি বাহিনী তাদের সহিংস পন্থায় দমিয়েছে। খুন-গুম, মামলা-হামলার মতো সর্বত্র একটা ভয়ের সংস্কৃতি চালু ছিল কয়েক বছর। যার কারণে রাজনৈতিক কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। রাজনীতিতে ভারসাম্যহীনতা ও সরকারি দলের একচেটিয়া ক্ষমতা কায়েম হওয়ার কারণে শক্তিশালী কোনো বিরোধী পক্ষ দাঁড়াতে পারছে না বলেই রাজনীতি শান্তির ধারায় ফিরেছে।

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ এ পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ। বলছেন, অতীতের জ্বালাও-পোড়াও যেমন স্বাভাবিক রাজনীতি নয় তেমনি বর্তমানে একেবারেই নীরব থাকা- এটাও স্বাভাবিক রাজনীতি নয়। এখন রাজনীতির বিরাজনীতিকীকরণ চলছে। এটা জাতির জন্য ক্ষতিকর। সরকারি দল এবং বিরোধী দল কারো প্রতি মানুষের আগ্রহ নেই। এ ধরনের পরিস্থিতিতে উগ্র রাজনীতির উত্থান ঘটতে পারে।

তবে উগ্র রাজনীতির উত্থান বা রাজনীতির অস্বাভাবিক পরিস্তিতি কেউই কামনা করেন না। যে কোনো উপায়েই রাজনীতি শান্তির ধারায় ফিরুক সেটিই চান সবাই। রাজনীতির রঙ পুরোটা এখনো বদলায়নি; রঙ বদলের কিছু ছিটেফোঁটা লাগছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। রঙ বদলাক আর ছিটেফোঁটাই লাগুক- এটুকু পরিবর্তনের পেছনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানই বেশি বলছেন তারা। গত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনীতিতে যে অস্থিরতার আশঙ্কা করা হয়েছিল সে আশঙ্কাকে মাঠে মেরে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সংলাপের আহ্বান করে টেবিলেই রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। যদিও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট ও সিপিবি নেতৃত্বাধীন বামজোট সংলাপের টেবিলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একমত হতে পারেনি। সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে দাবি তুলেছিলেন তারা। কিন্তু সরকার সংসদ বহাল রেখেই শেষতক নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। সে নির্বাচনে অংশও নিয়েছে দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি ও বামজোট। পরে অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানও করেছে। দুই জোটই পুনঃনির্বাচন দাবি করেছে। তবে কঠোর কোনো কর্মসূচির দিকে যায়নি কোনো জোট। নির্বাচনের পর বিরোধী পক্ষকে কঠোর কোনো কর্মসূচির দিকে না যাওয়ার এ ঘটনাকেই রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, প্রতিটি দল বা জোটের রাজনৈতিক বক্তব্য থাকবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তা জনগণের কাছে পৌঁছানোর অধিকার তাদের আছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সরকার বা ক্ষমতাসীনদের সহিষ্ণুতা ও গণতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় দিতে হবে। তা হলেই রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন হচ্ছে বলা যাবে, তার আগে নয়।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার গণভবনে দেশের রাজনীতিকদের সম্মানে চা-চক্রের আয়োজন করেছিলেন। গত নির্বাচনে যে দলগুলো অংশ নিয়েছিল তারাই এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিল। তবে আমন্ত্রণ পেয়েও তা বর্জন করেছে ঐক্যফ্রন্ট ও বাম গণতান্ত্রিক জোট। আর সরকারের শরিক ও মিত্র দলের নেতারা এ আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাড়ির দক্ষিণের সবুজ লনের এই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, গণতন্ত্রী পার্টি, সাম্যবাদী দলসহ ১৪ দলীয় জোট, মহাজোট ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ চা-চক্র আয়োজনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সৌজন্যতা। চা-চক্রের টেবিলেও অনেক রাজনৈতিক জটিলতার সমাধান হতে পারে। রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো চাইলে সে সুযোগ নিতে পারে। রাজনীতিতে যে ইতিবাচক পরিবর্তনের হাওয়া লাগছে তাকে ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন। আলোচনার টেবিলেই সুরাহা হতে পারে বিরোধী দল ও মতের দ্ব›দ্ব। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতাদের সদিচ্ছা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতির এ ধারা অব্যাহত থাকলে শেষ পর্যন্ত ভালো কিছু হবে বলেই মনে করছেন সবাই।

উগ্র রাজনীতির উত্থান ঘটতে পারে

সৈয়দ আবুল মকসুদ

লেখক-বুদ্ধিজীবী

বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাভাবিক রাজনীতি নেই। অতীতের জ্বালাও-পোড়াও যেমন স্বাভাবিক রাজনীতি নয় তেমনি বর্তমানে একেবারেই নীরব থাকা-এটাও স্বাভাবিক রাজনীতি নয়। বর্তমানে সরকারি এবং বিরোধী দল কেউই রাজনীতি করছে না। একেই বলে রাজনীতির বিরাজনীতিকরণ। এ অবস্থা জাতির জন্য ক্ষতিকর। সরকারি দল এবং বিরোধী দল দুপক্ষই যদি স্বাভাবিক রাজনীতি করত তাতে জনগণও অংশগ্রহণ করত। সরকারি দল এবং বিরোধী দল কারও প্রতি মানুষের আগ্রহ নেই। এ ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্বেগের কথা এই, উগ্র রাজনীতির উত্থান ঘটতে পারে। সেই উগ্র রাজনীতি ধর্মান্ধ হতে পারে, বামপন্থীও হতে পারে।

রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাচ্ছে না

ড. দিলারা চৌধুরী

অধ্যাপক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী

বর্তমানের এ অবস্থাকে স্থিতিশীল বলতে রাজি নই। স্থিতিশীলতার মানে এই নয়, দেশে জ্বালাও-পোড়াও হবে না। এর অর্থ হলো, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া দ্বারা দেশের জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা, সরকারের স্বচ্ছতাসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই দেশে স্থিতিশীলতা আসে। একটা রাজনৈতিক দলকে দমিয়ে রেখে স্থিতিশীল পরিবেশ বলার সুযোগ নেই। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হয় না, অন্য একটা রূপে ঠিকই বেরিয়ে আসে। রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যদি স্বচ্ছ হয়, আইনের শাসন থাকে তখনই স্থিতিশীল পরিবেশ বলা যাবে।

হরতাল, সহিংসতা ও আন্দোলন হচ্ছে না এর মানে এই নয়, আমরা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির দিকে যাচ্ছি। বর্তমানে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একটি বৃহৎ দলকে দমিয়ে রাখা হয়েছে, তারা কিছু করতে চাইলেও করতে পারছে না। তা ছাড়া বিএনপি নতুন ধরনের রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। দলটি অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি-দাওয়া আদায় করতে পারে কি না, এটাই দেখার চেষ্টা করছে।

রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাচ্ছে না। যেটা সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাজনীতির দিকে যায় সেটা হয়নি। যেটা হয়েছে সেটা হলো একটা ধোঁয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ। তা ছাড়া বিএনপি কৌশলগতভাবে হয়তো নতুন একটা পন্থা অবলম্বন করছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু বলতে রাজি নই। নির্বাচনের আগে ৯৮ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক লাখ ২৭ হাজার হামলা-মামলা হয়েছে। এসবও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণ। আমাদের নিরাপত্তাও পর্যাপ্ত নয়। সাধারণ মানুষ ভয়ের মধ্যে আছে। তারা কথা বলতে ভয় পাচ্ছে। সরকারের সমালোচনা করতে ভয় পাচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এখনো মানুষ খুব শান্তিতে আছে? সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন প্রায় ২০ জন লোক মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন খবরের কাগজে নারীর প্রতি সহিংসতা, শিশুর প্রতি সহিংসতার সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। এটাও তো অশান্তি ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির লক্ষণ। নারী ও শিশুরা আকছার ধর্ষিত হচ্ছে। দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। কোনো একটি কাজ আমরা ঘুষ না দিয়ে করাতে পারি না। এসব কি কম ভোগান্তি? দেশে বিচার নেই। মানুষ ভয়ে আছে, আতঙ্কে আছে। এটা কোনো স্বাভাবিক অবস্থা হতে পারে না।

উৎসঃ খোলা কাগজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত