প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে পদ্মা সেতুর কাজ, ফেব্রুয়ারিতে যোগ হতে পারে আরো দুইটি স্প্যান

মারুফুল আলম : দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে পদ্মা সেতুর কাজ। চলতি মাসে পদ্মা সেতুতে যোগ হতে পারে আরো দুইটি স্প্যান। নদীর জাজিরা প্রান্তে আগের ৬টি স্প্যানের সঙ্গে বসতে পারে ৭ ও ৮ নম্বর স্প্যান। এজন্য ইতোমধ্যে শতভাগ প্রস্তুত করে তোলা হচ্ছে ৩৪ ও ৩৫ নম্বর পিলার। এছাড়া নকশা জটিলতা কেটে যাওয়ায় সেতুর কাজে এখন আগের চেয়ে কয়েকগুণ গতি আসবে বলে আশা করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: সময় টিভি।

দুই প্রান্ত মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার পদ্মা সেতু। নদীতে থাকা ৬ দশমিক এক পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে বর্তমানে দৃশ্যমান প্রায় ১ কিলোমিটার সেতু।

পুরো নদী জুড়ে চলছে মহাকর্মযজ্ঞ। ৪২টি পিলারের মধ্যে এখন পর্যন্ত কাজ ধরা হয়েছে ৩৭টি পিলারের। এর মধ্যে পুরো কাজ শেষ হয়েছে ১৮টির। আরও ১১টির কাজ শেষের দিকে। যে ৫টি পিলারের কাজ এখনো শুরু করা যায়নি শিগগিরই সেগুলোর কাজও ধরা হবে।

আগে অন্য পিলারগুলোর নকশা জটিলতার সমাধান হলেও আটকে ছিল ৬ ও ৭ নম্বর। সেটাও কেটে যাওয়ার পর এ দুটি পিলারেও এখন চলছে কাজ। জুনের মধ্যে সবগুলো পিলার বসানোর পরিকল্পনা সংশ্লিষ্টদের।

পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রধান পরামর্শক অধ্যাপক ড. জামিরুল রেজা চৌধুরী বলেন, নদীর স্রােত অত্যন্ত বেশি হওয়ায় মাওয়ার দিক থেকে প্রথম মডিউলের কাজ করা যায়নি। আশা করা যায় আগামী কয়েক মাসে সেতুর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কাজের অগ্রগতি হবে।

এদিকে ১৮টি পিলার নদীতে দৃশ্যমান হলেও স্প্যান বসানোর সংখ্যা সে তুলনায় কম। কারণ একটি মডিউলের ৬টি পিলার একসাথে না বসলে সেখানে বিচ্ছিন্নভাবে স্প্যান বসানোর সুযোগ নেই। সেতু ইংরেজি এস আকৃতির হওয়ায় পুরো সেতুতে ২টি বাঁক থাকবে। তাই প্রত্যেকটি স্প্যানের ডিজাইন আলাদা হওয়ায় একটির জায়গায় অন্যটিও বসানো যাচ্ছে না। শুরুতে এ চেষ্টা করা হলেও আপাতত সে জায়গা থেকে সরে এসেছেন ডিজাইনাররা।

অধ্যাপক ড. জামিরুল রেজা চৌধুরী বলেন, সেতুর নকশা কিছুটা জটিল হওয়ায় এ বিষয়ে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে এ নিয়ে এখনো চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, মডিউল শেষ করার পর সেখানে স্প্যান বসাতে হবে। এছাড়া স্প্যান বসানোর সুযোগ নেই। জাজিরা প্রান্তে আগের ৬টির সাথে সপ্তম স্প্যান বসানোর জন্য এখন প্রস্তুত ৩৫ নম্বর পিলার। ৯০ ভাগের বেশি কাজ শেষ ৩৪ নম্বর পিলারেরও। এ পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ ৭২ ভাগ ও মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৬৩ ভাগ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত