প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টিআইর গবেষণা এটা, টিআইবির না, মোহাম্মদ রফিকুল হাসান

নাহিদ মোরসেদ: টিআইবি গবেষণা ও পলিসি পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান বলেন, সিপিআই এর সূচকের প্রকাশের পর প্রতি বছর বলতে হয়, এটা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টান্যাশনালের একটি পূণাঙ্গ গবেষণা, এটার সাথে ট্রান্সপারেন্সি বাংলাদেশের কোন সম্পর্ক নেই। এমনকি আমরা কোন তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করিনা কোনরকম ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও করিনা। এটা টিআইবি প্রতিবেদন না এটা টিআইর গবেষণা।

বুধবার ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে আজকের বাংলাদেশে তিনি কথা বলেন। মোহাম্মদ রফিক বলেন আমরা যে কাজটি করি, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে সারা বিশ্বে ১৮০টি দেশের সঙ্গে একযোগে ইনডেক্স প্রকাশের কাজটি করি। এ ক্ষেত্রে তথ্যমন্ত্রী যে কথাটি বলেছেন, তাতে একটা গ্যাপ রয়ে গেছে।

আলোচনায় সেভাবে আসছে যে এটা টিআইবির গবেষণা যেখানে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা আছেন লন্ডন স্কুল অফ ইকনোমিক্স এর গবেষকরা আছেন, তারা বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত দিয়ে গবেষণা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের পর এই ইনডেক্স বিশ্ব ব্যাপী প্রকাশ করেন, সরকার যে সমস্ত অভিযোগ করছে তা সম্পূর্ণ ভুল।

টিআই যাদের সঙ্গে কথা বলে গবেষণা করেছে তাদের মধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রিপলিশি অ্যান্ড ইনস্ট্রসনাল অ্যাসেসমেন্ট আছে ইকনোমিক্স ইনটেলিজেন্ট ইউনিট আছে পলিটিক্যাল রিক্সসাভির্সেস অ্যান্ড কান্ট্রি ইন্টান্যাশনাল রিসকাইদ আছে, বাটলস্মেন্ট ফাউনন্ডেস ট্রান্সফরমেশন ইনডেক্স, ওয়াল্ড ইকনোমিক্স ফোরাম, ওয়াল্ড জাস্টিস রুল অফ ল আছে এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টিআবি কোন সম্পর্ক নেই, তারা সার্ভে অফ সাভের্র মাধ্যমে ১৩টি একই ধরনের বৈশ্বিক নিরপেক্ষ সোর্স থেকে সার্ভে করে টিআই এই ইনডেক্স তৈরি করেছে।

ডাটাগুলো নিয়ে জিরো টু হান্ডেড স্কেলে ওনারা প্রেজেন্ট করে, এটাকে টিআইবি প্রতিবেদন বলা ইনফরমেশন গত ভুল বলে মনে হয়। ২০০১ থেকে আমরা আগাচ্ছি এই ইনডেক্স থাকাতে, আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের দিন দিন সূচকেরন উন্নতি হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত