প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানো সরকারি পরিকল্পনায় সায় নেই জাতিসংঘসহ দাতা গোষ্ঠির

জাবের হোসেন : কক্সবাজারের ওপর চাপ কমাতে লাখখানেক রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসাণ চরে নিতে চাইছে সরকার। তবে, এতে তেমন সায় নেই জাতিসংঘসহ দাতা সংস্থাগুলোর। বিভিন্ন মহল বলছে, মিয়ানমারে ফেরত না পাঠানো পর্যন্ত ভাগ ভাগ কোরে বিভিন্ন দেশে রাখা যেতে পারে রোহিঙ্গাদের। চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর

মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যা থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টে বাংলাদেশে ঢল নামে রোহিঙ্গাদের। ওই সময় প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয় কক্সবাজারসহ আশপাশের এলাকায়। মিয়ানমার থেকে এখনও মাঝে মাঝে আসছে রোহিঙ্গারা। এমনকি ভারত ও সৌদি আরব থেকেও পুশ-ইনের খবর মিলছে।

শরণার্থী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, ২০১০ সালে ইউনেক্সের তত্বাবধায়নে ৯২৬ জনকে উন্নত দেশে একটা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এটা কিন্তুু আশেপাশের দেশ গুলোতে করা সম্ভব। বাংলাদেশ সরকারকে এটা নিয়ে আলাপ আলোচনা করতে হবে।

তবে সাবেক এক কূটনীতিকের মতে, এতে স্থায়ী সমাধানের বদলে সমস্যা আরও দীর্ঘমেয়াদী হবে। সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত কিন্তু তৃতীয় দেশ সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের পাঠিয়ে দিচ্ছে বা পরিবেশের কারণে তারা ভয়ে বাংলাদেশে চলে আসছে। একই ভাবে সৌদিআরব থেকে বাংলাদেশে আসার জন্য সতেষ্ট হচ্ছে। তার করণে তৃতীয় দেশের যে কথাটা আমরা বলছি, তার আলামত আমরা যা পাচ্ছি তা কিন্তু খুবই ইতিবাচক না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আগে মিয়ানমারে সেইফ জোন তৈরি করা জরুরি। তবে নিরাপত্তা পরিষদে ঐকমত্য না থাকায় এ সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত