প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমারে কোন রাজবন্দি নেই তারপরও ২ শতাধিকের বেশি রাজনৈতিক কারণে বন্দী

মালিহা নেছা : ইয়াংগনের উপকূলে জানালাবিহীন একটি কারাগারের কক্ষে সাদা দেয়ালের পাশে ইউ জাও মো দাঁড়িয়ে আছেন। আয়াতকার একটি আবদ্ধ কক্ষ। যার এক পাশে পুরনো ছেঁড়া কম্বল এবং অন্য পাশে একটি বালতি যা টয়লেট জন্য ব্যবহার করা হয়। এমনই একটি চিত্র রাজনৈতিক কারাগারের সহায়তা সংস্থা (এএপিপি) জাদুঘরের একটি অংশ হিসাবে দেখাচ্ছে। আলজাজিরা

জাও মো ২০১৩ সালে মুক্তির পর বলেন, ‘এমনই একটি কক্ষে আমি ছিলাম। যেখানে আমার মতো হাজার হাজার মিয়ানমাররা আটক আছেন যারা দেশটির কয়েক দশকের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিহত করেছিলো।’

জাও মো এখন এএপিপি’র সঙ্গে কাজ করছেন। যিনি রাজবন্দি হিসাবে পরিচিত নয়, তিনি কেন আটককৃত কেউ-ই রাজবন্দি নয়। কারণ মিয়ানমারের সরকার আগে-পরে কখনোই রাজনৈতিক কারাগার আছে বলে স্বীকার করে না। কিন্ত দেশটিতে এখনো রাজনৈতিক কারণে মানুষদের আটক করা হচ্ছে।

এএপিপি’র মতে, শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক আন্দোলনে সমর্থন করা বা সক্রিয়ভাবে জড়িত হওয়ার কারণে আটকৃতরা যেখানে থাকে তাই রাজনৈতিক কারাগার। ২০১৫ সালে অং সান সুচি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অন্তত ৩৫ জন রাজনৈতিক কারণে কারাবন্দি হয়ে আছেন। ৫৬ জন বিচারের জন্য এবং ২৩৫ জন জামিনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

গত বছরের এক এএপিপি’র জরিপে পাওয়া যায় রাজনৈতিক কারণে কারাবন্দি হওয়ার সংখ্যা ৪২ ভাগ বেড়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত