প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইসলামে পাখিদের নিরাপত্তা

সাইদুর রহমান: পাখিদেও নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করা আমাদের দায়িত্ব। পাখিরা আল্লাহর জিকির করে। এগুলো দেশের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি আল্লাহর জিকিরে মশগুলো থাকার বরকত সহজেই অনুভব করা যায়। আল্লাহ তাআলা কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘তুমি কি দেখনি যে, আসমান ও জমিনে যারা আছে তারা এবং সারিবদ্ধ হয়ে উড়ন্ত পাখিরা আল্লাহর তসবিহ পাঠ করে? প্রত্যেকেই তাঁর সালাত ও তসবিহ জানে। তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবগত।’ (সুরা নুর, আয়াত : ৪১)

অনেক সময় গাছের ফল কিংবা পুকুরের মাছ রক্ষায় এদের তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কালেভদ্রে কিংবা যেকোনো সময় পাখিরা কারো গাছের ফল ও শস্যদানা আহার করে থাকলে, তার বিনিময়ে সে সদকার সওয়াব লাভ করবে। জাবের (রা.) থেকে হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে কোনো মুসলমান (ফলবান) গাছ লাগায় আর তা থেকে যা কিছু খাওয়া হবে তা তার জন্য সদকা, তা থেকে যা কিছু চুরি হবে তা তার জন্য সদকা, পাখি যা খাবে তাও তার জন্য সদকা এবং যে কেউ এর থেকে কিছু নেবে তাও তার জন্য সদকা। অর্থাৎ সে দান-খয়রাতের সওয়াব পাবে।’ (মুসলিম শরিফ)

প্রসঙ্গত ইসলামে যদিও পাখি শিকার করা জায়েজ। তবে নির্ভরযোগ্য কারণ ছাড়া এদের নিশানা বানানো হারাম। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অহেতুক কোনো চড়ুই পাখি মেরে ফেলল, কিয়ামতের দিন পাখিটি আল্লাহর কাছে এই বলে নালিশ করবে, হে আল্লাহ! অমুক ব্যক্তি আমাকে অহেতুক হত্যা করেছে।’ (নাসায়ি, ইবনে হিব্বান)এ হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া পাখি শিকার অনুচিত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত