প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দেওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে উঠেছে প্রশ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট : গাজীপুরের শ্রীপুরে ধর্ষণের বদলে ‘ধর্ষণ চেষ্টার’ মামলা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্তকে রক্ষা করতেই পুলিশ এই কাজ করেছে। পুলিশের দাবি, তাদের কাছে ধর্ষণের কথা বলা হয়নি। এলাকাবাসীদের কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, ধর্ষক সুজন মিয়া (২৭) শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলমের আত্মীয় হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশ অভিযুক্ত সুজন মিয়াকে বাড়িতে না পেয়ে তার বড় ভাই কাউসারকে মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রাম থেকে আটক করে শ্রীপুর থানায় নিয়ে যায়। পরে কাউসার তার ছোট ভাই সুজনকে ফোন দিয়ে থানায় ডাকিয়ে নিলে কাউসারকে সকালে ছেড়ে দেয় পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম। গ্রেফতারকৃত সুজন মিয়া (২৭) শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্ত্রী স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। বাড়ির লোকদের অনুপস্থিতিতে একই গ্রামের অভিযুক্ত সুজন মিয়া প্রেম করার কথা বলে গত সোমবার তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। মঙ্গলবার সকালে ধর্ষণের শিকার শিশু বিয়ের দাবিতে সুজনের বাড়িতে উঠলে এলাকাবাসী শ্রীপুর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওইদিন রাত সাড়ে ১০টায় ধর্ষণের শিকার শিশু ও তার বাবা এবং অভিযুক্তের ভাইকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
‘শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী ধর্ষণের কথা স্বীকার করেনি। তাই ধর্ষণ মামলা না নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছে ধর্ষণের শিকার হওয়ার স্বীকারোক্তি দেওয়া কোনও ভিডিও থাকলে আমাদেরকে সহযোগিতা করুন। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত